০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৪:০৯

শিরোনাম
ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন
শিরোনাম
ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন

ভ্রান্ত পরিবেশ ছাড়পত্র কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

ভ্রান্ত পরিবেশ ছাড়পত্র কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

প্রকাশিত: ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১৪:০৯

পরিবেশ সুরক্ষায় ছাড়পত্র প্রদানে অনিয়ম এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণে আইন প্রয়োগে গাফিলতির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) গাজীপুরের শ্রীপুরে বিশ্বব্যাংক আয়োজিত “স্ট্রেন্থিনিং এনভায়রনমেন্টাল রেগুলেটরি অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট ক্যাপাসিটি ফর এ সাসটেইনেবল বাংলাদেশ” শীর্ষক তিনদিনব্যাপী প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, “ভ্রান্ত পরিবেশ ছাড়পত্র কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আইন প্রয়োগ মানে শুধু জরিমানা নয়, এর সঙ্গে স্বচ্ছতা, বিকল্প ব্যবস্থা ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।”

তিনি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র বা অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণে সংবেদনশীল এলাকায় দেওয়া ছাড়পত্রকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ ও ‘অবৈধ’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, “রাজনৈতিক চাপ থাকলেও আপত্তি জানাতে হবে। না পারলে বদলি হন, কিন্তু পরিবেশের সঙ্গে আপস নয়।”

প্রধান দূষণকারী হিসেবে ডাইং, সিমেন্ট কারখানা এবং ইটভাটাকে চিহ্নিত করে উপদেষ্টা বলেন, “দূষণকারীদের নাম প্রকাশ্যে আনুন। তথ্য উন্মুক্ত রাখলে জনগণ নিজেরাই সচেতন হবে, রাজনৈতিক চাপ প্রতিরোধেও সহায়ক হবে।”

তিনি আরো বলেন, পরিবেশ ছাড়পত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে লাল ক্যাটাগরির শিল্পগুলোর ইআইএ প্রতিবেদন (EIA) ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা উচিত এবং জনমত নেওয়ার প্রক্রিয়া বাধ্যতামূলক করতে হবে।

এ সময় একটি দূষণকারী সিরামিক কারখানাকে জাতীয় পুরস্কার দেওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “দূষণকারীদের পুরস্কৃত নয়, শাস্তি দিতে হবে।”

আরও পড়ুন