২০ জুলাই ২০২৬, সোমবার, ১৬:২৯

শিরোনাম
সাজাপ্রাপ্ত সব পলাতক আসামিকে দেশে ফেরানো হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আগামী বিশ্বকাপ নিয়ে জানা-অজানা খবর সামরিক সুবিধা নিশ্চিত হলেই আলোচনায় যাবে ইরান: পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্বকাপের উন্মাদনায় উৎপাদনশীলতা কমে বিশ্বে ১৭০০ কোটি ডলারের ক্ষতি উৎসে কর তদারকিতে মাঠে এনবিআরের বিশেষ টিম, জারি ৫ নির্দেশনা ককরোচ পার্টির ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচিতে সংঘর্ষ, উত্তপ্ত দিল্লি সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের গুলশানের ফ্ল্যাটে দুদকের দ্বিতীয় দিনের অভিযান আবারও গ্রেফতার রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ করিম মালয়েশিয়া-থাইল্যান্ড সীমান্তে বিশেষ অভিযান, গ্রেপ্তার ৭৩ বাংলাদেশিসহ ৬৪১ জন গায়ানায় যাত্রীবাহী ফেরি ডুবি, শতাধিক আরোহীর মধ্যে উদ্ধার ৬৭
শিরোনাম
সাজাপ্রাপ্ত সব পলাতক আসামিকে দেশে ফেরানো হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আগামী বিশ্বকাপ নিয়ে জানা-অজানা খবর সামরিক সুবিধা নিশ্চিত হলেই আলোচনায় যাবে ইরান: পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্বকাপের উন্মাদনায় উৎপাদনশীলতা কমে বিশ্বে ১৭০০ কোটি ডলারের ক্ষতি উৎসে কর তদারকিতে মাঠে এনবিআরের বিশেষ টিম, জারি ৫ নির্দেশনা ককরোচ পার্টির ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচিতে সংঘর্ষ, উত্তপ্ত দিল্লি সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের গুলশানের ফ্ল্যাটে দুদকের দ্বিতীয় দিনের অভিযান আবারও গ্রেফতার রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ করিম মালয়েশিয়া-থাইল্যান্ড সীমান্তে বিশেষ অভিযান, গ্রেপ্তার ৭৩ বাংলাদেশিসহ ৬৪১ জন গায়ানায় যাত্রীবাহী ফেরি ডুবি, শতাধিক আরোহীর মধ্যে উদ্ধার ৬৭

১,২০০ কমলা গাছ কাটার অভিযোগ বন বিভাগের বিরুদ্ধে

১,২০০ কমলা গাছ কাটার অভিযোগ বন বিভাগের বিরুদ্ধে

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২২:৫৭

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার রাজকান্দি বন রেঞ্জের কালিঞ্জি এলাকায় উচ্ছেদ অভিযানের নামে প্রায় ১ হাজার ২০০ ফলধরা কমলা গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে বন বিভাগের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

ভুক্তভোগীদের দাবি, গত আট বছর ধরে বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তাকে নিয়মিত মাসোহারা দিয়ে তারা বাগানটি রক্ষা করে আসছিলেন। তবে সম্প্রতি আর্থিক সংকটের কারণে টাকা দিতে না পারায় প্রতিশোধমূলকভাবে তাদের কমলা, পেঁপে ও লাউয়ের বাগান ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।

বাগানের মালিক মোছা. সালমা বেগম বলেন, এনজিও থেকে উচ্চ সুদে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে আট বছর ধরে বাগান গড়ে তুলেছিলেন। আর মাত্র তিন মাস পর প্রায় ২৫ থেকে ২৬ লাখ টাকার ফল বিক্রির আশা ছিল। কিন্তু উচ্ছেদ অভিযানে সেই স্বপ্ন ভেঙে গেছে।

তার পরিবার আরও অভিযোগ করে, গাছ কাটার পাশাপাশি সেচের জন্য ব্যবহৃত একমাত্র পানি তোলার মেশিনটিও ভেঙে ফেলা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, বন বিভাগের কথিত লিজ বাণিজ্য ও মাসোহারা নেওয়ার বিষয়ে গণমাধ্যমে তথ্য দেওয়ার জেরেই এই পরিবারকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের প্রশ্ন, বাগানটি যদি শুরু থেকেই অবৈধ হয়ে থাকে, তাহলে আট বছর ধরে সেটি বেড়ে ওঠার সুযোগ দেওয়া হলো কেন? ফল ধরার সময়েই বা কেন উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলো?

অভিযোগ অস্বীকার করে রাজকান্দি রেঞ্জ কর্মকর্তা প্রীতম বড়ুয়া বলেন, সংরক্ষিত বনাঞ্চলে যেকোনো ধরনের দখল অবৈধ। তাই জবরদখলমুক্ত করতে নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

সিলেট বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুর রহমান জানান, বন আইনে পাহাড় বা টিলার জমিতে ফলের বাগান করার অনুমতি নেই। বনের জমি পুনরুদ্ধার করে সেখানে বনায়ন করাই তাদের নীতিমালা। তবে বন বিভাগের কোনো কর্মকর্তা চাঁদা বা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন