২২ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ২১:০৮

শিরোনাম
ইউপি নির্বাচন কবে? জানালেন মির্জা ফখরুল ইউপি নির্বাচন কবে? জানালেন মির্জা ফখরুল বিদ্যুৎ খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ চায় সরকার দেশে জ্বালানি তেলের সংকট নেই, গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান সরকারের মৃত্যুর ২৫ বছর পর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে ঠাঁই পেল আহমদ ছফার দেহাবশেষ ম্যানিলায় চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন
শিরোনাম
ইউপি নির্বাচন কবে? জানালেন মির্জা ফখরুল ইউপি নির্বাচন কবে? জানালেন মির্জা ফখরুল বিদ্যুৎ খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ চায় সরকার দেশে জ্বালানি তেলের সংকট নেই, গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান সরকারের মৃত্যুর ২৫ বছর পর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে ঠাঁই পেল আহমদ ছফার দেহাবশেষ ম্যানিলায় চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন

একলাফে ১০ শতাংশ বাড়ল তেলের দাম

একলাফে ১০ শতাংশ বাড়ল তেলের দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০২ মার্চ, ২০২৬, ০২:৩১

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি পরিবহন বন্ধ হওয়ার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক ধাক্কায় ১০ শতাংশ বেড়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলার স্পর্শ করা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। রোববার (১ মার্চ) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাজারের তথ্য অনুযায়ী, রোববার লেনদেন শুরুর পর বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ১০ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৮০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। বাজার বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান আইসিআইএস-এর জ্বালানি ও রিফাইনিং বিভাগের পরিচালক অজয় পারমার জানান, কেবল সামরিক সংঘাত নয়, বরং হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তেলের বাজারকে অস্থির করে তুলেছে।

বাণিজ্যিক সূত্রগুলো বলছে, তেহরানের পক্ষ থেকে সতর্কবার্তা আসার পর অধিকাংশ বড় তেল কোম্পানি, ট্যাঙ্কার মালিক এবং ট্রেডিং হাউসগুলো এই জলপথ দিয়ে তেল ও এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) পরিবহন সাময়িকভাবে স্থগিত রেখেছে। উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট ব্যবহৃত তেলের ২০ শতাংশেরও বেশি এই হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়।

বিশ্লেষক অজয় পারমার আরও পূর্বাভাস দিয়েছেন যে, চলতি সপ্তাহের শুরুতে বাজার খোলার পর তেলের দাম ১০০ ডলারের কাছাকাছি অবস্থান করতে পারে। আর যদি এই প্রণালী দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ থাকে, তবে দাম ১০০ ডলারের সীমা ছাড়িয়ে যাবে।

এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো ওয়াশিংটনকে আগেই সতর্ক করেছিল যে, ইরানের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধ শুরু হলে জ্বালানি তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই ওপেক প্লাস জোট জানিয়েছে, তারা এপ্রিল মাস থেকে দৈনিক মাত্র ২ লাখ ৬ হাজার ব্যারেল উৎপাদন বাড়াবে-যা বিশ্ববাজারের চাহিদার তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য (০.২ শতাংশের কম)।

জ্বালানি গবেষণা সংস্থা রাইস্ট্যাড এনার্জির অর্থনীতিবিদ জর্জ লিওন সতর্ক করে বলেছেন, সৌদি আরব বা আবুধাবির বিকল্প পাইপলাইন ব্যবহার করলেও প্রতিদিন অন্তত ৮০ লাখ থেকে ১ কোটি ব্যারেল তেলের ঘাটতি দেখা দেবে। তাদের মতে, বাজার খোলার সাথে সাথেই দাম ব্যারেলপ্রতি ২০ ডলার বেড়ে ৯২ ডলারে পৌঁছে যেতে পারে।

ইরান সংকটের এই নেতিবাচক প্রভাবে ইতোমধ্যে এশিয়ার দেশগুলোর সরকার এবং তেল শোধনাগারগুলো জরুরি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু করেছে। দেশগুলো এখন তাদের তেলের মজুত খতিয়ে দেখার পাশাপাশি বিকল্প সরবরাহ পথ ও উৎসের সন্ধান করছে।

আরও পড়ুন