০৬ জুলাই ২০২৬, সোমবার, ০২:৩৯

শিরোনাম
খামেনির জানাযায় অংশ নিয়ে দেশে ফিরেছেন স্পিকার ৩৮ বিচারককে রদবদল করে আইন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন জারি হামে শিশুমৃত্যুতে ড. ইউনূসের কাছে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট ২৭তম বিসিএসে বঞ্চিত আরও ৭৭ জনকে নিয়োগ দিল সরকার শহীদ দিবস হিসেবে পালিত হবে ১৬ জুলাই ১৬ জুলাই ‘শহীদ দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক আর নেই ইউএন-কপস সম্মেলনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
শিরোনাম
খামেনির জানাযায় অংশ নিয়ে দেশে ফিরেছেন স্পিকার ৩৮ বিচারককে রদবদল করে আইন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন জারি হামে শিশুমৃত্যুতে ড. ইউনূসের কাছে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট ২৭তম বিসিএসে বঞ্চিত আরও ৭৭ জনকে নিয়োগ দিল সরকার শহীদ দিবস হিসেবে পালিত হবে ১৬ জুলাই ১৬ জুলাই ‘শহীদ দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক আর নেই ইউএন-কপস সম্মেলনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির বিচার চেয়ে বিচার বিভাগকে নির্দেশ ইরানের সর্বোচ্চ নেতার

যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির বিচার চেয়ে বিচার বিভাগকে নির্দেশ ইরানের সর্বোচ্চ নেতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৯ জুন, ২০২৬, ১৪:৫৬

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মোজতবা খামেনি দেশটির বিচার বিভাগের প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কথিত আগ্রাসনের ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ইরানি জনগণের প্রাণহানি, অবকাঠামোগত ক্ষতি এবং অন্যান্য ক্ষয়ক্ষতির বিচার নিশ্চিত করে ক্ষতিগ্রস্তদের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে।

রোববার বিচার বিভাগ সপ্তাহ এবং আয়াতুল্লাহ মোহাম্মদ বেহেশতি ও তাঁর সহযোদ্ধাদের নিহত হওয়ার বার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ আহ্বান জানান।

খামেনি বলেন, ২০২৫ সালের জুন এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কথিত আগ্রাসনের সময় সংঘটিত প্রাণহানি, শারীরিক, মানসিক, আর্থিক ও নৈতিক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় শত শত, এমনকি হাজার হাজার আইনি মামলা করা যেতে পারে।

তিনি দক্ষিণ ইরানের মিনাব ও লামের্দে শিশু হত্যা, হাসপাতাল ও জনসেবামূলক স্থাপনায় হামলা এবং বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনাগুলোর বিচার দাবি করেন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক—উভয় আইনি কাঠামোর আওতায় এসব অভিযোগ অনুসরণের আহ্বানও জানান তিনি।

খামেনির ভাষায়, বিচার বিভাগের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো বিদেশি আগ্রাসনের ফলে ইরানের যে ক্ষতি হয়েছে, তার আইনি প্রতিকার নিশ্চিত করা এবং নাগরিকদের অধিকার রক্ষা করা।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আবারও বেড়েছে। রোববার ভোরে ইরান কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করে। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, অন্তর্বর্তী শান্তি চুক্তি লঙ্ঘন হলে যুক্তরাষ্ট্র আরও কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করায় তারা এই হামলা চালিয়েছে। তবে একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হামলায় কোনো মার্কিন সেনা হতাহত হয়নি এবং বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবরও পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে কুয়েত ও বাহরাইন ইরানের হামলার নিন্দা জানিয়েছে। কাতারও এ ধরনের হামলাকে দুই দেশের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন উল্লেখ করে সংলাপ ও কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে।

এদিকে বাগদাদ সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে সমঝোতা বাস্তবায়নে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে এবং ইসরায়েলকে লেবাননে হামলা বন্ধে চাপ দিতে হবে। তিনি আরও জানান, আগামী ৩০ দিন হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা পুরোপুরি ইরানের তত্ত্বাবধানে থাকবে।

সূত্র: এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।

আরও পড়ুন