০৫ জুলাই ২০২৬, রবিবার, ০৮:০০

শিরোনাম
ইউএন-কপস সম্মেলনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফরিদপুরে বিভাগ ও সিটি করপোরেশনের পরিকল্পনা সরকারের: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চিঠি স্পিকা‌র হাফিজ উদ্দিনের সঙ্গে আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ সব হাসপাতালের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৬টি নতুন নির্দেশনা অন্যায়কারীর বিচার হবে, অবিচার নয়: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ এখন বৈশ্বিক বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্য: অর্থমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৮৩৩
শিরোনাম
ইউএন-কপস সম্মেলনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফরিদপুরে বিভাগ ও সিটি করপোরেশনের পরিকল্পনা সরকারের: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চিঠি স্পিকা‌র হাফিজ উদ্দিনের সঙ্গে আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ সব হাসপাতালের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৬টি নতুন নির্দেশনা অন্যায়কারীর বিচার হবে, অবিচার নয়: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ এখন বৈশ্বিক বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্য: অর্থমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৮৩৩

হরমুজ প্রণালি খুলে অর্থ উপার্জনের ছক মার্কিন প্রেসিডেন্টের

হরমুজ প্রণালি খুলে অর্থ উপার্জনের ছক মার্কিন প্রেসিডেন্টের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৫ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:৩৪

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল শিল্প দখলের পরিকল্পনা করছে। আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই লক্ষ্য অর্জনে যুদ্ধের জন্য আরও কিছুটা সময় প্রয়োজন বলে দাবি করেছেন তিনি।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, “সামান্য একটু সময় পেলে আমরা খুব সহজেই হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করতে পারব, তেল দখল করতে পারব এবং প্রচুর অর্থ উপার্জন করতে পারব।” তিনি এটিকে পুরো বিশ্বের জন্য ‘তেল খনির জোয়ার’ হিসেবে অভিহিত করেন। তবে কার্যকরভাবে বন্ধ থাকা এই প্রণালি যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে উন্মুক্ত করবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের ঝুঁকির কারণে তারা সেখানে ধীরগতির জাহাজ পাহারা দিতে প্রস্তুত নয়।

ইরানের তেল ‘দখল’ করার বিষয়ে ট্রাম্পের এই বক্তব্যকে তাঁর বাগাড়ম্বরপূর্ণ অবস্থানের বড় বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ট্রুথ সোশ্যালে তিনি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে লেখেন, “তেল কি নিজেদের কাছে রাখব, কেউ কি আছেন?” উল্লেখ্য, ১৯৬২ সালের জাতিসংঘ আইন অনুযায়ী প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর সংশ্লিষ্ট দেশের সার্বভৌমত্ব স্বীকৃত। এর আগে ইরাক ও ভেনেজুয়েলার ক্ষেত্রেও ট্রাম্প একই ধরনের তেল দখলের কথা বলেছিলেন।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অব্যাহত বোমাবর্ষণ সত্ত্বেও ইরানের শাসনব্যবস্থা ও প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ অক্ষত রয়েছে। তেহরান এখনো হরমুজ প্রণালি অবরোধ করে রেখেছে এবং ইসরায়েলসহ আঞ্চলিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাচ্ছে। এদিকে ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও পানি শোধনাগারের মতো বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলার হুমকি দিচ্ছেন। গত বুধবার একটি প্রধান বেসামরিক সেতু ধ্বংসের ফুটেজ শেয়ার করে তিনি ভবিষ্যতে আরও হামলার হুঁশিয়ারি দেন। আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞরা একে ‘যৌথ শাস্তি’ ও যুদ্ধাপরাধ হিসেবে অভিহিত করেছেন। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই কর্মকাণ্ডকে ‘আইএসআইএস-শৈলীর সন্ত্রাস’ বলে তুলনা করেছে।

ভেনেজুয়েলা মডেলের পুনরাবৃত্তি প্রসঙ্গে ট্রাম্প জানান, সেখানে প্রেসিডেন্টকে সরানোর পর বিপুল তেল বিক্রির কাজ চলছে, যা ইরানেও সম্ভব। তবে এর জন্য যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী করা প্রয়োজন। ট্রাম্প বলেন, “আমরা কেবল তাদের তেল নিয়ে নিতে পারি।

আরও পড়ুন