২০ জুলাই ২০২৬, সোমবার, ১৪:৪৬

শিরোনাম
জ্বালানি আমদানির বাড়তি ব্যয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচও বেড়েছে :জ্বালানিমন্ত্রী সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের গুলশানের ফ্ল্যাটে দুদকের দ্বিতীয় দিনের অভিযান আবারও গ্রেফতার রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ করিম প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হলেন রাশেদ খাঁন ভারতের কাছে আসাদুজ্জামান খান কামালকে হস্তান্তরের অনুরোধ ঢাকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আইএলও মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ, শ্রম খাতে সহযোগিতা জোরদারের আশ্বাস ই-পাসপোর্টে যুক্ত হচ্ছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের ছবি সমুদ্রে উদ্ধার অভিযান জোরদারে কোস্টগার্ডে যুক্ত হচ্ছে আধুনিক হেলিকপ্টার
শিরোনাম
জ্বালানি আমদানির বাড়তি ব্যয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচও বেড়েছে :জ্বালানিমন্ত্রী সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের গুলশানের ফ্ল্যাটে দুদকের দ্বিতীয় দিনের অভিযান আবারও গ্রেফতার রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ করিম প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হলেন রাশেদ খাঁন ভারতের কাছে আসাদুজ্জামান খান কামালকে হস্তান্তরের অনুরোধ ঢাকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আইএলও মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ, শ্রম খাতে সহযোগিতা জোরদারের আশ্বাস ই-পাসপোর্টে যুক্ত হচ্ছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের ছবি সমুদ্রে উদ্ধার অভিযান জোরদারে কোস্টগার্ডে যুক্ত হচ্ছে আধুনিক হেলিকপ্টার

ইসলামে তালাক: শেষ সমাধান, প্রথম নয়

ইসলামে তালাক: শেষ সমাধান, প্রথম নয়

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২২:০৬

ইসলামের দৃষ্টিতে বিবাহ শুধু সামাজিক চুক্তি নয়; এটি ভালোবাসা, দয়া, পারস্পরিক সম্মান ও দায়িত্ববোধের ওপর প্রতিষ্ঠিত একটি পবিত্র বন্ধন। তাই পারিবারিক শান্তি ও সম্পর্ক রক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সব ধরনের সমঝোতার চেষ্টা ব্যর্থ হলে এবং একসঙ্গে বসবাস অসম্ভব হয়ে পড়লে তবেই তালাককে শেষ উপায় হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা তাদের সঙ্গে সদ্ভাবে জীবনযাপন করো। যদি তোমরা তাদের অপছন্দ করো, তবে হতে পারে তোমরা এমন একটি বিষয় অপছন্দ করছ, যাতে আল্লাহ অনেক কল্যাণ রেখেছেন।’ (সূরা আন-নিসা: ১৯)

রাসুলুল্লাহ (সা.)-ও স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক সহনশীলতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেছেন, ‘কোনো মুমিন পুরুষ যেন কোনো মুমিন নারীকে ঘৃণা না করে। যদি তার কোনো একটি স্বভাব অপছন্দ হয়, তবে নিশ্চয়ই তার অন্য কোনো স্বভাব তাকে সন্তুষ্ট করবে।’ (সহিহ মুসলিম)

ইসলামে তালাককে আবেগের সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা হয়নি। বরং শরিয়ত নির্ধারিত নিয়ম মেনে, পুনর্মিলনের সুযোগ রেখে তালাক দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এক বৈঠকে তিন তালাক, ঋতুস্রাবের সময় তালাক দেওয়া কিংবা কথার জোর বাড়াতে ‘তালাকের কসম’ ব্যবহার করাকে শরিয়তসম্মত পদ্ধতি হিসেবে গণ্য করা হয় না।

এ বিষয়ে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘এগুলো আল্লাহর নির্ধারিত সীমা। অতএব তোমরা তা লঙ্ঘন করো না। আর যারা আল্লাহর সীমা লঙ্ঘন করে, তারাই জালেম।’ (সূরা আল-বাকারা: ২২৯)

একইভাবে, বৈধ কারণ ছাড়া শুধু আবেগ বা সাময়িক অসন্তোষ থেকে তালাক চাওয়ার ব্যাপারেও সতর্ক করেছেন রাসুলুল্লাহ (সা.)। তিনি বলেছেন, ‘যে নারী কোনো বৈধ কারণ ছাড়া তার স্বামীর কাছে তালাক চায়, তার জন্য জান্নাতের সুঘ্রাণও হারাম হয়ে যায়।’ (জামে তিরমিজি)

ইসলামের শিক্ষা হলো—সংসার ভাঙা নয়, বরং ধৈর্য, ক্ষমাশীলতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও আলোচনার মাধ্যমে পরিবার টিকিয়ে রাখা। আর বিচ্ছেদ অনিবার্য হয়ে পড়লে তা-ও শরিয়তের বিধান ও শিষ্টাচার মেনে সম্পন্ন করাই একজন মুমিনের দায়িত্ব।

আরও পড়ুন