২২ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ০৫:০৩

শিরোনাম
এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স রেমিট্যান্সে শক্তিশালী সূচনা, ২০ দিনেই আসলো ২ বিলিয়ন ডলার কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ৩০ জুলাই দেশজুড়ে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের ঘোষণা গুম-ক্রসফায়ার ও অপতথ্যে শূন্য সহনশীলতা, সরকারের কঠোর বার্তা এমআরটি-৫ প্রকল্পে ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় কমাল সরকার, অনুমোদনের অপেক্ষায় ডিপিপি ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের যুদ্ধের বিভীষিকা পেরিয়ে দেশে ফিরছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নাবিকরা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: শোক, স্মৃতি আর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন ভাবনা
শিরোনাম
এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স রেমিট্যান্সে শক্তিশালী সূচনা, ২০ দিনেই আসলো ২ বিলিয়ন ডলার কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ৩০ জুলাই দেশজুড়ে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের ঘোষণা গুম-ক্রসফায়ার ও অপতথ্যে শূন্য সহনশীলতা, সরকারের কঠোর বার্তা এমআরটি-৫ প্রকল্পে ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় কমাল সরকার, অনুমোদনের অপেক্ষায় ডিপিপি ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের যুদ্ধের বিভীষিকা পেরিয়ে দেশে ফিরছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নাবিকরা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: শোক, স্মৃতি আর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন ভাবনা

ইরানে হামলার পথে জার্মানি

ইরানে হামলার পথে জার্মানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০২ মার্চ, ২০২৬, ২২:০৩

মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে জার্মানি। পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে তেহরানের হামলা অব্যাহত থাকলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে সমন্বয় করে সরাসরি অভিযানে অংশ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে বার্লিন।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর রেডিওর এক প্রতিবেদনে জার্মান সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটলে বার্লিন সম্ভাব্য অংশগ্রহণের বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে। এই পরিকল্পনার মধ্যে বিমান হামলায় সীমিত অংশগ্রহণ, সামরিক লজিস্টিক সহায়তা এবং আকাশপথে ইন্টেলিজেন্স সহযোগিতার মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে ইরানের পরবর্তী সামরিক পদক্ষেপ এবং সামগ্রিক আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর।

জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও দেশটির পার্লামেন্টের পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটির একাধিক সদস্য নিশ্চিত করেছেন যে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে সমন্বিত প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও বার্লিনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এখনো তারা কূটনৈতিক সমাধানকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং সামরিক পদক্ষেপ হবে তাদের জন্য ‘শেষ বিকল্প’।

এর আগে, ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে জার্মানি মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানায়। বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয় যে, উপসাগরীয় অঞ্চলে নিজেদের এবং মিত্রদের স্বার্থ রক্ষায়, বিশেষ করে জ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পশ্চিমা শক্তিগুলো যেকোনো প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত।

আরও পড়ুন