ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী পাচ্ছেন মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৫ মার্চ, ২০২৬, ২৩:০৮
জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা 'স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬'-এর জন্য মনোনীত হয়েছেন বিশিষ্ট চিকিৎসক, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সমাজসেবা ও জনসেবায় অসামান্য অবদানের জন্য তাঁকে মরণোত্তর এই সম্মাননায় ভূষিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ছিলেন বাংলাদেশের একজন বরেণ্য চিকিৎসক, জনস্বাস্থ্য আন্দোলনের পথিকৃৎ এবং স্বাধীন বাংলাদেশের অন্যতম রূপকার। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় আহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসাসেবা প্রদানের জন্য ‘বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি সারাজীবন সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ঘোষণা অনুযায়ী, তিনি মূলত 'সমাজসেবা ও জনসেবা' খাতে তাঁর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন।
ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী এমন একজন ব্যক্তিত্ব ছিলেন, যিনি চিকিৎসাকে কেবল পেশা হিসেবে নয়, বরং একটি সামাজিক আন্দোলন হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। দেশের স্বাস্থ্য খাত, ঔষধ নীতি এবং দরিদ্র মানুষের দোরগোড়ায় চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর আজীবনের সংগ্রাম ও সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এই মর্যাদা দেওয়া হয়েছে।
ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে অসংখ্য মাইলফলক রয়েছে, যার মধ্যে প্রধান কয়েকটি হলো-
১৯৭২ সালে তিনি 'গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র' প্রতিষ্ঠা করেন, যা গ্রামপর্যায়ে সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা ও কমিউনিটি ভিত্তিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার এক অনন্য মডেল হিসেবে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি পায়।
১৯৮২ সালে প্রণীত দেশের 'জাতীয় ঔষধ নীতি' ছিল তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম সাহসী পদক্ষেপ। এর ফলে সাধারণ মানুষ সুলভ মূল্যে অত্যাবশ্যকীয় ঔষধ পাওয়ার অধিকার পায় এবং দেশের ঔষধ শিল্প বিকাশের পথ প্রশস্ত হয়।
১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি বিলেতের পড়াশোনা মাঝপথে ছেড়ে দেশে ফিরে আসেন এবং বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল গড়ে তুলে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা দেন।
২০২৬ সালের পূর্বেও ১৯৭৭ সালে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে অবদানের জন্য স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছিলেন। এবার মরণোত্তর এই পুরস্কার ঘোষণার পর জনমনে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে।
আরও পড়ুন
- • ৬১ বছর বয়সী আমির খানের তৃতীয় বিয়ে
- • ২০২৬-২৭ অর্থবছরে শিক্ষাখাতের বাজেটে থাকছে সর্বোচ্চ বরাদ্দ : শিক্ষামন্ত্রী
- • হাদি ইস্যুতে বক্তব্যের জেরে মমতার বিরুদ্ধে আইনি অভিযোগ
- • ভেদরগঞ্জে পুকুরের পানিতে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃত্যু
- • বিশ্বকাপ সামনে, বিকল্প পরিকল্পনায় আর্জেন্টিনা দল গোছাচ্ছেন স্কালোনি
- • সামরিক চাপের পর সমঝোতার পথে যুক্তরাষ্ট্র, অবস্থান বদলায়নি ইরান
- • প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২
- • খেলাধুলাকে পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী
- • ফ্রিল্যান্সারদের আয়ে থাকছে না সাড়ে সাত শতাংশ কর
- • ফ্লোরিডা নয়, ডোবার পাশেই মিলবে মশা দমনের শিক্ষা: প্রধানমন্ত্রী
- • বৈশ্বিক অস্থিরতায় স্বর্ণের দামে নতুন প্রভাব
- • পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ
- • জানা গেলো মৃত নুরজাহান বেগমের তিন ছেলে ও এক কন্যার পরিচয়
- • নতুন গানে পরীমণি
- • প্রশাসনে বড় রদবদল, সাত অতিরিক্ত সচিবকে নতুন দায়িত্ব
- • ৫ দিনের বৃষ্টির খবর দিল আবহাওয়া অফিস
- • বুধবার বিদ্যুতের নতুন মূল্যহার ঘোষণা করবে বিইআরসি
- • তাপমাত্রা পৌঁছাতে পারে ৪০ ডিগ্রির কাছাকাছি
