০৫ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ০০:২২

শিরোনাম
কৃষিকে জলবায়ু-সহিষ্ণু করতে সমন্বিত পরিকল্পনার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের পুরোনো দাম বহাল বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে শিক্ষাখাতের বাজেটে থাকছে সর্বোচ্চ বরাদ্দ : শিক্ষামন্ত্রী
শিরোনাম
কৃষিকে জলবায়ু-সহিষ্ণু করতে সমন্বিত পরিকল্পনার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের পুরোনো দাম বহাল বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে শিক্ষাখাতের বাজেটে থাকছে সর্বোচ্চ বরাদ্দ : শিক্ষামন্ত্রী

ফটিকছড়িতে বেতনসংক্রান্ত জটিলতায় শিক্ষকদের হাতাহাতি

ফটিকছড়িতে বেতনসংক্রান্ত জটিলতায় শিক্ষকদের হাতাহাতি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৫ মার্চ, ২০২৬, ২২:১৬

ফটিকছড়িতে বেতনসংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা ও ফটিকছড়ি করোনেশন সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে উপজেলা পরিষদ ভবনের দ্বিতীয় তলায় হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। সরকারি অফিসে দুই দায়িত্বশীল ব্যক্তির এমন কাণ্ড পুরো উপজেলাজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে ফটিকছড়ি করোনেশন সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ জসিম উদ্দীন তাঁর বেতনসংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের জন্য উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা এ কে এম নজরুল ইসলামের কার্যালয়ে যান। সেখানে বিষয়টি নিয়ে কথা বলার একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে দুজন হাতাহাতি ও মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।

অফিসের ভেতরে এমন হট্টগোল ও মারামারির খবর পেয়ে ছুটে আসেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মুহাম্মদ ইব্রাহিম। পরে খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন। প্রকাশ্য দিবালোকে সরকারি দপ্তরের ভেতরে একজন কর্মকর্তা এবং একজন শিক্ষকের এমন মারামারির খবর বাইরে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফটিকছড়ি করোনেশন সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ জসিম উদ্দীন বলেন, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা রয়েছে আমরা যারা মবের শিকার হয়ে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলাম, তাদের বেতন-ভাতা বন্ধ করা যাবে না। আমি বেতনসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কাছে গেলে তিনি আমাকে নানাভাবে হয়রানি করেন এবং অফিস থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। এটি কোনো সরকারি অফিসারের আচরণ হতে পারে না।

উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা একে এম নজরুল ইসলাম বলেন, প্রধান শিক্ষক জসিম উদ্দিন দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকেও বেতন-ভাতা দাবি করছেন। আমরা তাকে বলছি, ছুটি মঞ্জুর করে নিয়ে আসতে। তিনি তা না করে অফিসে এসে সরকারি নথিপত্র নষ্ট করে মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। বিষয়টি আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবিহিত করেছি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মুহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, ভুল-বোঝাবুঝি থেকে অনাকাঙ্ক্ষিত এ ঘটনা ঘটেছে। আমরা বসে বিষয়টির সমাধান করেছি।
 

আরও পড়ুন