২৭ জুলাই ২০২৬, সোমবার, ১৮:১৬

শিরোনাম
শর্তসাপেক্ষে ফিরল আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানি ভাতা ও আর্থিক অনুদান বাড়ালো সরকার আগামী সপ্তাহ থেকে কমবে গ্যাস সংকট, আশার কথা জানালেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী 'সাংবাদিকতা পেশা বর্তমানে সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি' রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইসি দেশে খাদ্য মজুত সক্ষমতা ৩৪ লাখ টনে উন্নীত করছে সরকার ৩০ জুলাই দিনব্যাপী সিএনজি স্টেশন বন্ধের কর্মসূচি প্রত্যাহার নবম পে-স্কেল দুই বছর পেছানোর সুপারিশ আইএমএফের
শিরোনাম
শর্তসাপেক্ষে ফিরল আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানি ভাতা ও আর্থিক অনুদান বাড়ালো সরকার আগামী সপ্তাহ থেকে কমবে গ্যাস সংকট, আশার কথা জানালেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী 'সাংবাদিকতা পেশা বর্তমানে সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি' রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইসি দেশে খাদ্য মজুত সক্ষমতা ৩৪ লাখ টনে উন্নীত করছে সরকার ৩০ জুলাই দিনব্যাপী সিএনজি স্টেশন বন্ধের কর্মসূচি প্রত্যাহার নবম পে-স্কেল দুই বছর পেছানোর সুপারিশ আইএমএফের

ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে এস আলমের স্বার্থ রক্ষায় সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ

ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে এস আলমের স্বার্থ রক্ষায় সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৫ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩৪

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আলোচিত ঘটনায় সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠে এসেছে। হাইকোর্টে দাখিল করা একটি তদন্ত প্রতিবেদনে জেএমসি বিল্ডার্সের মাধ্যমে ব্যাংকের শেয়ার নিয়ন্ত্রণ এবং এস আলম গ্রুপের স্বার্থ রক্ষায় তাঁর ভূমিকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট নথি অনুযায়ী, ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ ইসলামী ব্যাংকের প্রায় ৮২ শতাংশ শেয়ারের নিয়ন্ত্রণ নেয়। অভিযোগ রয়েছে, এ প্রক্রিয়ায় ব্যাংক কোম্পানি আইনের একাধিক বিধান লঙ্ঘন করা হয়েছিল। ওই সময় জেএমসি বিল্ডার্সের প্রতিনিধি হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে যুক্ত হন। পরে তিনি ব্যাংকটির ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের আগে তিনি ওই পদ ছেড়ে দেন।

গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর হাইকোর্টের নির্দেশে ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার অধিগ্রহণ-সংক্রান্ত অভিযোগ তদন্ত শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট (বিএফআইইউ)। তদন্ত শেষে আদালতে জমা দেওয়া ৪২ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে শেয়ার জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎ এবং এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জেএমসি বিল্ডার্স ব্যাংক থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ বের করে সেই অর্থ দিয়েই আবার ব্যাংকের শেয়ার কেনে। একই সঙ্গে পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদনের মাধ্যমে এস আলম গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে বিপুল পরিমাণ ঋণ বিতরণের অভিযোগও করা হয়েছে। তদন্তে দাবি করা হয়েছে, এসব কর্মকাণ্ড ব্যাংকটিকে বড় ধরনের আর্থিক ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, চারটি স্বাধীন নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদনে মো. সাহাবুদ্দিনের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি উঠে এসেছে। পরে সেসব প্রতিবেদন লন্ডনভিত্তিক ফরেনসিক প্রতিষ্ঠান দ্য লিওয়েড পর্যালোচনা ও অনুমোদন দিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় ২০২৫ সালে ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে। মামলাটি বর্তমানে হাইকোর্টে বিচারাধীন রয়েছে।

আরও পড়ুন