৩০ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৩:৫৬

শিরোনাম
গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকার প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর ব্যয় কমাতে বাজেট-পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল করল সরকার সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কবে মিলবে জানালো সূত্র নতুন ৩টি উপজেলা ও ১টি থানা গঠনের সিদ্ধান্ত সরকারের তিস্তা ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশকে সহায়তার ঘোষণা চীনের খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরান যাবেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আগামী নির্বাচনে প্রবাসীরা পোস্টাল ব্যালটের আওতায় থাকবেন ব্যাংক হলিডে: বুধবার বন্ধ থাকবে সব লেনদেন
শিরোনাম
গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকার প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর ব্যয় কমাতে বাজেট-পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল করল সরকার সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কবে মিলবে জানালো সূত্র নতুন ৩টি উপজেলা ও ১টি থানা গঠনের সিদ্ধান্ত সরকারের তিস্তা ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশকে সহায়তার ঘোষণা চীনের খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরান যাবেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আগামী নির্বাচনে প্রবাসীরা পোস্টাল ব্যালটের আওতায় থাকবেন ব্যাংক হলিডে: বুধবার বন্ধ থাকবে সব লেনদেন

গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকার প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর

গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকার প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর

প্রতিফলন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩০ জুন, ২০২৬, ২২:২৭

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদবিরোধী গণ-অভ্যুত্থানসহ দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একশ পাঁচতম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, উপমহাদেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকেই শিক্ষা, গবেষণা ও জ্ঞানচর্চায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বহু শিক্ষার্থী আত্মত্যাগ করেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, দীর্ঘ সংগ্রাম ও ত্যাগের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার সম্ভব হয়েছে। এখন সেই গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়াই প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত। এ ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক ও বাস্তবমুখী করার ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, প্রোগ্রামিং, ডিজিটাল উদ্যোক্তা উন্নয়ন, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, ন্যানোপ্রযুক্তি এবং পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তির মতো বিষয়গুলো শিক্ষা কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা সময়ের দাবি।

তিনি আরও বলেন, শুধু সনদনির্ভর শিক্ষা নয়, শিক্ষার্থীদের কর্মদক্ষতা ও ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জনের দিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় বাড়িয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্টার্নশিপ, শিক্ষানবিশ কর্মসূচি এবং বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান জানান তিনি।

আরও পড়ুন