০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২১:৩৭

শিরোনাম
বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে শিক্ষাখাতের বাজেটে থাকছে সর্বোচ্চ বরাদ্দ : শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
শিরোনাম
বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে শিক্ষাখাতের বাজেটে থাকছে সর্বোচ্চ বরাদ্দ : শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

চাঁদা না পেয়ে শিক্ষককে মারধর, ছাত্রদলের ২ নেতা গ্রেপ্তার

চাঁদা না পেয়ে শিক্ষককে মারধর, ছাত্রদলের ২ নেতা গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৭ মার্চ, ২০২৬, ২৩:৪৪

রাজশাহীতে চাঁদার দাবিতে এক কলেজ শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় ছাত্রদলের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

শনিবার (৭ মার্চ) তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

ভুক্তভোগী শিক্ষকের নাম আসাদুজ্জামান জুয়েল। তিনি রাজশাহী মহানগরের শাহ মখদুম কলেজের সহকারী অধ্যাপক। গ্রেপ্তার ছাত্রদল নেতারা হলেন শাহ মখদুম কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মারুফ শিহাব এবং রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান চন্দন।

মামলার এজাহারে শিক্ষক আসাদুজ্জামান জুয়েল উল্লেখ করেন, গত তিন মাস ধরে ছাত্রদল নেতা শিহাব ও চন্দন তার কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। তিনি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গত বছরের ২৬ নভেম্বর তাকে চাকু দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।

এজাহারে আরো বলা হয়, সর্বশেষ গত ৪ মার্চ রাত ১০টার দিকে রাজশাহী নগরের কাদিরগঞ্জ এলাকার নিজ বাসার নিচে জুয়েলকে একা পেয়ে মারধর করেন ওই দুই ছাত্রদল নেতা। এ সময় আবারও তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।

তবে গ্রেপ্তারের আগে শুক্রবার রাত ১০টার দিকে নগরের নিউমার্কেট এলাকায় সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ অস্বীকার করেন ছাত্রদল নেতা শিহাব ও চন্দন। তারা দাবি করেন, শিক্ষক জুয়েল আওয়ামী লীগের সমর্থক এবং বিভিন্ন সময় দলটির পক্ষে কাজ করেন। এ ছাড়া তিনি নিয়মিত কলেজে দায়িত্ব পালন করেন না এবং শিক্ষার্থীদের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত।

তাদের দাবি, ২০২৪ সালের আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময়ও শিক্ষক জুয়েল আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করেছিলেন। এ ছাড়া গত ২৮ ফেব্রুয়ারি নগরের কুমারপাড়ায় ধ্বংস হয়ে যাওয়া আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে দলীয় ব্যানার টাঙানোর ঘটনার সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। এসব ঘটনার প্রতিবাদ করায় তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদা দাবি ও মারধরের অভিযোগ আনা হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।

অন্যদিকে শিক্ষক আসাদুজ্জামান জুয়েল এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাদের অসংখ্য ভয়েস রেকর্ড আমার কাছে আছে। আমি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিরোধিতা করিনি, বরং সহযোগিতা করেছি। আমি নিয়মিত কলেজে ক্লাস নিই। নিজেদের বাঁচাতে তারা এখন নানা কথা বলছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বোয়ালিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান জানান, শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদের রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
 

আরও পড়ুন