১৯ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ০৩:০৭

শিরোনাম
‘সিক্সটিন হানড্রেড মাইল অফ কাঁচা রাস্তা’, সমালোচনার পর মুখ খুললেন এমপি জেবা চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক নন্দিনী হত্যা মামলার দ্রুত বিচার হবে, আশ্বাস ত্রাণমন্ত্রীর গম চাষে তামাকের জমি ব্যবহারের পরিকল্পনা কৃষিমন্ত্রীর আড়াই বছরে জাপানে ৫ লাখ কর্মী পাঠানোর লক্ষ্য বিকেটিটিসির চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ে সর্বোচ্চ রেকর্ড পিলারের নিচের মাটি নয়, সরানো হয়েছে নির্মাণকাজের অস্থায়ী রাস্তা: সড়ক ও রেলমন্ত্রী সংসদে মাথা ঝুঁকিয়ে প্রবেশ বা ত্যাগের প্রথা বাতিল করলেন স্পিকার
শিরোনাম
‘সিক্সটিন হানড্রেড মাইল অফ কাঁচা রাস্তা’, সমালোচনার পর মুখ খুললেন এমপি জেবা চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক নন্দিনী হত্যা মামলার দ্রুত বিচার হবে, আশ্বাস ত্রাণমন্ত্রীর গম চাষে তামাকের জমি ব্যবহারের পরিকল্পনা কৃষিমন্ত্রীর আড়াই বছরে জাপানে ৫ লাখ কর্মী পাঠানোর লক্ষ্য বিকেটিটিসির চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ে সর্বোচ্চ রেকর্ড পিলারের নিচের মাটি নয়, সরানো হয়েছে নির্মাণকাজের অস্থায়ী রাস্তা: সড়ক ও রেলমন্ত্রী সংসদে মাথা ঝুঁকিয়ে প্রবেশ বা ত্যাগের প্রথা বাতিল করলেন স্পিকার

আয়নাঘরে নয়, আত্মগোপনে ছিলেন আরমান - দাবি আসামিপক্ষের

আয়নাঘরে নয়, আত্মগোপনে ছিলেন আরমান - দাবি আসামিপক্ষের

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৯ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫৮

জামায়াত নেতা ও যুদ্ধাপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত মীর কাশেম আলী এর ছেলে মীর আহমেদ বিন কাশেম আরমান আট বছর গুম ছিলেন না, বরং আত্মগোপনে ছিলেন এমন দাবি করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো।

 

রোববার (৮ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ জেরার সময় এই দাবি করা হয়। 

 

বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার এর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারক মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

 

জেরার সময় আইনজীবী টিটো ব্যারিস্টার আরমানকে বলেন, “আপনি আত্মগোপনে ছিলেন, কোনো আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা আপনাকে গুম করেনি।” 

 

একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, আরমানের লেখা বই ‘আয়নাঘরের সাক্ষী, গুমজীবনের আট বছর’-এ বর্ণিত ঘটনাগুলো সত্য নয়। তবে জবাবে আরমান এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন।

 

শুনানিতে আলামত প্রসঙ্গে প্রশ্ন তোলা হলে ব্যারিস্টার আরমান বলেন, তাকে আটক রাখা হয়েছিল বলে যে দাবি করা হচ্ছে, সেই সময় তার গলায় থাকা গামছা এবং পরনের লুঙ্গি ও টি-শার্ট তদন্ত কর্মকর্তা চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি সেগুলো সংরক্ষণ করেননি বলে জানান। 

 

এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী প্রশ্ন তোলেন, তিনি কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব আলামত ধ্বংস করেছেন। জবাবে আরমান বলেন, “এটা সত্য নয়,” তবে তিনি স্বীকার করেন যে ওই পোশাকগুলো তিনি পরে ধ্বংস করেছেন।

 

জেরার এক পর্যায়ে ট্রাইব্যুনালে ব্যারিস্টার আরমানের গুমজীবন নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। সেখানে একটি দৃশ্যে তাকে লুঙ্গি, টি-শার্ট এবং গলায় গামছা পরা অবস্থায় দেখা যায়। 

 

আরমান জানান, এই দৃশ্যটি মূল সিসিটিভি ফুটেজ থেকে নেওয়া হয়েছে। 

 

তবে আসামিপক্ষের আইনজীবী দাবি করেন, প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণের উদ্দেশ্যেই ওই পোশাক পরানো হয়েছিল। আরমান এই অভিযোগও অস্বীকার করেন।

 

পরে লেফটেন্যান্ট কর্নেল সারওয়ার বিন কাশেমসহ সাত আসামির পক্ষে জেরার জন্য সময় চান আইনজীবী তাবারক হোসেন। এ সময় আপত্তি জানান চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। 

 

শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী জেরার জন্য আগামী ১০ মার্চ দিন ধার্য করেন।

 

প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। তার সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, শাইখ মাহদী ও সুলতান মাহমুদসহ অন্যরা।

 

এদিকে একই মামলায় গ্রেপ্তার ১০ আসামিকে রোববার সকালে ঢাকার সেনানিবাসের বিশেষ কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক র‍্যাব কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহাবুব আলম, কর্নেল কেএম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান, কর্নেল মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল সারওয়ার বিন কাশেম।

 

এ মামলায় আরও কয়েকজনকে পলাতক দেখানো হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা–এর প্রতিরক্ষাবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ, র‍্যাবের সাবেক ডিজি এম খুরশিদ হোসেন, সাবেক মহাপরিচালক হারুন অর রশিদ এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. খায়রুল ইসলাম।

 

মামলাটি বর্তমানে ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রয়েছে এবং পরবর্তী শুনানিতে জেরা অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন