১৭ জুন ২০২৬, বুধবার, ১২:১৯

শিরোনাম
আজ বুধবার মৌলভীবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষ্যে বন্ধ থাকবে মৌলভীবাজারের ৯২ চা বাগান চলতি মাসে আরও ৪ কার্গো এলএনজি আমদানি করবে সরকার প্রতিশোধের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মহররমের চাঁদ দেখা গেছে, ২৬ জুন আশুরা ফ্যামেলি কার্ড বিতরণে মৌলভীবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এমপিদের কক্ষ নির্মাণে ৬ লাখ বরাদ্দ নিয়ম না মানলে সংসদ চলবে না: স্পিকার
শিরোনাম
আজ বুধবার মৌলভীবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষ্যে বন্ধ থাকবে মৌলভীবাজারের ৯২ চা বাগান চলতি মাসে আরও ৪ কার্গো এলএনজি আমদানি করবে সরকার প্রতিশোধের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মহররমের চাঁদ দেখা গেছে, ২৬ জুন আশুরা ফ্যামেলি কার্ড বিতরণে মৌলভীবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এমপিদের কক্ষ নির্মাণে ৬ লাখ বরাদ্দ নিয়ম না মানলে সংসদ চলবে না: স্পিকার

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ বন্ধে উদ্যোগ নিতে চান ট্রাম্প

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ বন্ধে  উদ্যোগ নিতে চান ট্রাম্প

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭ জুন, ২০২৬, ১১:১২

রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চলমান যুদ্ধ বন্ধে নতুন করে উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, রাশিয়ার উচিত ইউক্রেনের সঙ্গে একটি শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানো এবং যুদ্ধের অবসান ঘটাতে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।

মঙ্গলবার ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ শহরে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও জি-৭ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, “আমি যা সম্ভব, তা ই করব।” তিনি বলেন, যুদ্ধের কারণে দুই পক্ষের বহু তরুণ প্রাণ হারাচ্ছে, যা দ্রুত বন্ধ হওয়া প্রয়োজন।

ট্রাম্পের ভাষ্য, রাশিয়ার একটি সমঝোতায় আসা উচিত। তিনি দাবি করেন, অতীতে তিনি আটটি যুদ্ধের সমাধান করেছেন এবং ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাতই এমন একটি যুদ্ধ ছিল, যেটির সমাধান সবচেয়ে সহজ হবে বলে তিনি মনে করেছিলেন। তবে তাঁর এ দাবিকে ঘিরে বিতর্ক রয়েছে।

বৈঠকের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় জেলেনস্কি বলেন, আলোচনায় ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা আরও শক্তিশালী করা এবং কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদারের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। তাঁর ভাষ্য, লক্ষ্য হলো রাশিয়াকে যুদ্ধ বন্ধে বাধ্য করা এবং একটি ন্যায়সঙ্গত শান্তির পথ তৈরি করা।

জেলেনস্কি জানান, জি-৭ নেতাদের কাছ থেকে তিনি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি পেয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে অতিরিক্ত আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ, এসব অস্ত্র উৎপাদনের লাইসেন্স, শীতকালীন সহায়তা প্যাকেজ এবং রাশিয়ার ওপর আরও চাপ বাড়ানোর উদ্যোগ।

তিনি বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আলোচনায় পাওয়া প্রতিশ্রুতিগুলোর বাস্তবায়ন। একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, রাশিয়াকে বুঝতে হবে যে এই যুদ্ধকে কখনোই স্বাভাবিক হিসেবে মেনে নেওয়া হবে না।

ইউরোপীয় কূটনীতিকদের ভাষ্য অনুযায়ী, বৈঠকের পরিবেশ ছিল ইতিবাচক ও গঠনমূলক।

এদিকে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ইউক্রেনের পক্ষে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে বদলাচ্ছে। তাঁর মতে, ইউক্রেন এখনো দৃঢ়ভাবে প্রতিরোধ গড়ে রেখেছে এবং রাশিয়ার ওপর যুদ্ধের চাপ ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। তাই ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন আরও জোরদার করার এখনই উপযুক্ত সময়।

অন্যদিকে জি-৭ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া সাম্প্রতিক শান্তি চুক্তি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে হরমুজ প্রণালি দ্রুত পুনরায় চালু করা এবং বিকল্প জ্বালানি পরিবহন পথ খুঁজে বের করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সম্মেলনের আয়োজক ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার হলো একটি কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি বাস্তবায়ন করা। তিনি জানান, ফ্রান্স ও তাদের পশ্চিমা মিত্ররা হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক নৌ চলাচল ফিরিয়ে আনতে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।

ম্যাক্রোঁর মতে, নিরাপত্তা পরিস্থিতি অনুকূলে এলে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য ওই জলপথে নৌ চলাচল স্বাভাবিক করতে বিশেষ উদ্যোগে অংশ নেবে।

এর আগে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, আগামী শুক্রবার হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি উন্মুক্ত হবে। সেদিন সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের কথা রয়েছে।

সোমবার ডিজিটালভাবে স্বাক্ষরিত ওই চুক্তির আওতায় ৬০ দিনের একটি আলোচনা প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ সময় ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কর্মসূচি এবং দেশটির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা চলবে।

ট্রাম্প আশা প্রকাশ করে বলেন, ইরানের সঙ্গে দ্বিতীয় ধাপের আলোচনা তুলনামূলক সহজ হবে এবং তা ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে।

আরও পড়ুন