১৭ জুন ২০২৬, বুধবার, ১২:১৫

শিরোনাম
আজ বুধবার মৌলভীবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষ্যে বন্ধ থাকবে মৌলভীবাজারের ৯২ চা বাগান চলতি মাসে আরও ৪ কার্গো এলএনজি আমদানি করবে সরকার প্রতিশোধের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মহররমের চাঁদ দেখা গেছে, ২৬ জুন আশুরা ফ্যামেলি কার্ড বিতরণে মৌলভীবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এমপিদের কক্ষ নির্মাণে ৬ লাখ বরাদ্দ নিয়ম না মানলে সংসদ চলবে না: স্পিকার
শিরোনাম
আজ বুধবার মৌলভীবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষ্যে বন্ধ থাকবে মৌলভীবাজারের ৯২ চা বাগান চলতি মাসে আরও ৪ কার্গো এলএনজি আমদানি করবে সরকার প্রতিশোধের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মহররমের চাঁদ দেখা গেছে, ২৬ জুন আশুরা ফ্যামেলি কার্ড বিতরণে মৌলভীবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এমপিদের কক্ষ নির্মাণে ৬ লাখ বরাদ্দ নিয়ম না মানলে সংসদ চলবে না: স্পিকার

তিন কারণে এখনো স্বাভাবিক হয়নি হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল

তিন কারণে এখনো স্বাভাবিক হয়নি হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭ জুন, ২০২৬, ১১:০৩

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার ঘোষণা দিলেও বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি জাহাজ চলাচল। উপসাগরীয় অঞ্চলে শত শত বাণিজ্যিক জাহাজ অপেক্ষায় থাকলেও খুব অল্পসংখ্যক জাহাজ এখন পর্যন্ত প্রণালিটি অতিক্রম করেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা, সমুদ্রে মাইন থাকার আশঙ্কা এবং সম্ভাব্য নতুন ফি বা নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা—এই তিন কারণে হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক কার্যক্রম ফিরতে সময় লাগছে।

বিবিসি ভেরিফাইয়ের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতার ঘোষণা আসার পরও প্রত্যাশিত হারে জাহাজ চলাচল শুরু হয়নি। বর্তমানে উপসাগরীয় অঞ্চলে প্রায় ৫৮০টি জাহাজ অপেক্ষমাণ রয়েছে।

বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য হরমুজ প্রণালি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস পরিবহনের উল্লেখযোগ্য অংশ এই নৌপথ দিয়ে হয়ে থাকে। সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে প্রণালিটি কার্যত অচল হয়ে পড়ার পর এখনো আগের অবস্থায় ফিরতে পারেনি।

নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জাহাজ মালিক, বীমা প্রতিষ্ঠান ও জাহাজের অধিনায়কেরা এখনো পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। তারা নিশ্চিত হতে চাইছেন যে নতুন করে কোনো সংঘাত বা হামলার ঝুঁকি নেই।

বিশ্লেষকদের মতে, অতীতে একাধিকবার প্রণালি খোলা ও বন্ধ হওয়ার অভিজ্ঞতা থেকে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আস্থার ঘাটতি তৈরি হয়েছে। ফলে রাজনৈতিক ঘোষণার চেয়ে বাস্তব নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা।

মাইন অপসারণের প্রয়োজন

হরমুজ প্রণালির আরেকটি বড় উদ্বেগ হলো সম্ভাব্য নৌ-মাইন। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, নৌপথকে পুরোপুরি নিরাপদ ঘোষণা করার আগে বিস্তৃত জরিপ ও প্রয়োজনীয় মাইন অপসারণ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।

তাদের মতে, মাইন শনাক্ত ও অপসারণ একটি জটিল এবং ঝুঁকিপূর্ণ প্রক্রিয়া। এ কাজ শেষ করতে কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

ফি ও নতুন নিয়ম নিয়ে অনিশ্চয়তা

প্রণালি ব্যবহার নিয়ে ভবিষ্যতে কোনো ধরনের ফি, টোল বা নতুন নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা চালু হবে কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে।

যদিও ট্রাম্প জানিয়েছেন, প্রণালিতে কোনো টোল আরোপ করা হবে না, তবে ইরানের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা বা পরিচালনাসংক্রান্ত সেবার নামে ভবিষ্যতে কোনো ফি আরোপের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের কোনো ব্যবস্থা চালু হলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

সব মিলিয়ে রাজনৈতিক সমঝোতার পরও হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক জাহাজ চলাচল ফিরে আসতে আরও সময় লাগবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তাদের ভাষ্য, নিরাপত্তা ও পরিচালনাগত অনিশ্চয়তা দূর না হওয়া পর্যন্ত জাহাজ মালিকদের পূর্ণ আস্থা ফিরে আসবে না।

আরও পড়ুন