০৫ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ০১:০২

শিরোনাম
পদোন্নতিতে বৈষম্যের অভিযোগে অবসরে যাচ্ছেন সিআইডি প্রধান কৃষিকে জলবায়ু-সহিষ্ণু করতে সমন্বিত পরিকল্পনার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের পুরোনো দাম বহাল বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার
শিরোনাম
পদোন্নতিতে বৈষম্যের অভিযোগে অবসরে যাচ্ছেন সিআইডি প্রধান কৃষিকে জলবায়ু-সহিষ্ণু করতে সমন্বিত পরিকল্পনার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের পুরোনো দাম বহাল বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার

সংসদে সাউন্ড সিস্টেমে দুর্নীতি, অনুসন্ধানে নেমেছে দুদক

সংসদে সাউন্ড সিস্টেমে দুর্নীতি, অনুসন্ধানে নেমেছে দুদক

প্রতিফলন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২১:০৩

জাতীয় সংসদ ভবনের ‘এসআইএস’ সাউন্ড সিস্টেম কেনা, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের নামে বড় ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ আমলে নিয়ে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। 

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে উপ-পরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। অভিযোগ উঠেছে, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে জাহিদুর রহিম জোয়ারদার নামক এক ব্যক্তি ও তাঁর প্রতিষ্ঠান ‘কমিউনিকেশন টেকনোলজি লিমিটেড’ এককভাবে এই খাতের সরকারি অর্থ লোপাট করেছে।

দুদক জানায়, গত কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সহকারী পরিচালক প্রবীর কুমার দাসকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে গণপূর্ত অধিদপ্তরের কাছে টেন্ডার প্রক্রিয়া, প্রশাসনিক অনুমোদন, বাজার যাচাই প্রতিবেদন এবং বিল পরিশোধের ভাউচারসহ চার ধরনের রেকর্ডপত্র চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, জাহিদুর রহিম জোয়ারদার কেনাকাটায় প্রকৃত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দাম দেখিয়ে বিপুল অর্থ বিদেশে পাচার করেছেন। এমনকি ৫ আগস্টের পট পরিবর্তনের পর ক্ষতিগ্রস্ত সিস্টেম পরীক্ষার নাম করে কেবল প্রকৌশলীদের যাতায়াত ও সম্মানী বাবদই ১১ লাখ ২৫ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছিল।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সাউন্ড সিস্টেম মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রায় চার কোটি টাকার একটি অস্বাভাবিক প্রাক্কলন (এস্টিমেট) জমা দিয়েছিল সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানটি।

শুধু সংসদ ভবন নয়, স্বাস্থ্য খাতে চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয়ের ক্ষেত্রেও জাহিদুর রহিমের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির পূর্ব অভিজ্ঞতা ছিল কি না, সেটিও এখন খতিয়ে দেখছে দুদক।

আরও পড়ুন