ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পালিত ‘গণহত্যা দিবস’
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৫ মার্চ, ২০২৬, ২৩:২২
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাত্রি স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘গণহত্যা দিবস’ পালিত হয়েছে।
বুধবার ( ২৫ মার্চ) সন্ধ্যায় স্মৃতি চিরন্তন চত্বরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে মোমবাতি প্রজ্বলন ও শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়। পরে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে স্মৃতি চিরন্তন চত্বরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী-সহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, প্রক্টর, বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ১৯৭১ সালের ২৫মার্চের গণহত্যাকে উপজীব্য করে একটি ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫মার্চের গণহত্যা ইতিহাসের নিকৃষ্টতম গণহত্যার একটি। এই গণহত্যায় আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের অনেক সদস্যকে আমরা হারিয়েছি। তিনি সকল শহীদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তাঁদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন।
উপাচার্য বলেন, ২৫ মার্চের গণহত্যার পর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধের পর পরাধীনতার শিকল থেকে জাতি মুক্তি পায়। বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের জন-আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়নি। ফলে এদেশের মানুষকে বার বার আন্দোলন করতে হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় ১৯৯০ ও ২০২৪ সালে তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে গণ-অভ্যুত্থান সৃষ্টি হয়। গত ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে এদেশে নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। এর মাধ্যমে একটি বৈষম্যহীন ও শোষণমুক্ত নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। নতুন সরকারের অধীনে আগামীর বাংলাদেশে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে এবং ভেদাভেদমুক্ত বৈষম্যহীন সমাজ গড়ে উঠবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
স্মৃতি চিরন্তন চত্বরে আলোচনা সভা শেষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা জগন্নাথ হলের গণ-সমাধিতে মোমবাতি প্রজ্বলন ও শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ দেবাশীষ পাল উপস্থিত ছিলেন।
দিবসটি উপলক্ষ্যে রাত ১০:৩০টা থেকে ১০:৩১টা পর্যন্ত জরুরি স্থাপনা ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল জায়গায় এক মিনিট “ব্লাক-আউট” কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।
এছাড়া, গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে বা’দ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ মসজিদুল জামিআ’য় শহীদ বুদ্ধিজীবীদের রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।
আরও পড়ুন
- • সাগর-রুনি হত্যার তদন্তে অবহেলা, প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পেছাল ১২৮ বার
- • প্রেমের টানে দেশে আসছেন বিদেশি তরুণ-তরুণী ভালোবাসা, নাকি প্রতারণার ফাঁদ?
- • ই-রিটার্ন বাধ্যতামূলক করল এনবিআর, জুলাই-সেপ্টেম্বরে রিটার্ন দিলে মিলবে ৫% কর প্রণোদনা
- • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ
- • টানা বৃষ্টিতে সবজির বাজারে আগুন, কাঁচা মরিচ ২৪০ টাকা কেজি
- • শক্তিশালী পাসপোর্ট সূচকে তিন ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ
- • একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন
- • বিশ্বকাপের পর ফের মুখোমুখি স্পেন-আর্জেন্টিনা?
- • সরকার কোনো উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না: প্রধানমন্ত্রী
- • কাতারের সাবেক আমিরের নামে ঢাকায় সড়কের নামকরণের সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর
- • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের বৈঠক
- • হঠাৎ কাতার সফরে গেলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- • বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
- • আগামী ৫ দিন ভারী বর্ষণের আশঙ্কা: আবহাওয়া অধিদপ্তর
- • ১০ হাজার পুলিশ নিয়োগের পরিকল্পনা করছে সরকার
- • বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে সকাল-সন্ধ্যা হরতালের আহ্বান
- • প্রধানমন্ত্রীর মুখে মধু হলেও অন্তরে ছলনা: নাহিদ ইসলাম
- • বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ৫০০ শিক্ষাবৃত্তি দেবে সৌদি আরব
