০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০৭:১৩

শিরোনাম
৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে প্রস্তুতি, থাকছে যেসব কর্মসূচি ১৪ জুন কক্সবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রিপেইড মিটারে স্বস্তি, বাতিল মাসিক চার্জ দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১,২৬৫
শিরোনাম
৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে প্রস্তুতি, থাকছে যেসব কর্মসূচি ১৪ জুন কক্সবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রিপেইড মিটারে স্বস্তি, বাতিল মাসিক চার্জ দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১,২৬৫

ইবোলা ভাইরাস: উপসর্গ কীভাবে বুঝবেন

ইবোলা ভাইরাস: উপসর্গ কীভাবে বুঝবেন

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮ মে, ২০২৬, ১৪:৫৩

ইবোলা ভাইরাস একটি অত্যন্ত সংক্রামক ও প্রাণঘাতী রোগ, যা শরীরের রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত করে হেমোরেজিক ফিভার বা রক্তক্ষরণজনিত জ্বর সৃষ্টি করতে পারে। সময়মতো শনাক্ত ও চিকিৎসা না হলে রোগটি দ্রুত জটিল আকার ধারণ করতে পারে।

ইবোলা ভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয় ১৯৭৬ সালে আফ্রিকার বর্তমান গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে। এরপর থেকে মহাদেশটির বিভিন্ন দেশে সময় সময় এর প্রাদুর্ভাব দেখা গেছে। সবচেয়ে বড় প্রাদুর্ভাব ঘটে ২০১৩–২০১৬ সালে, যখন হাজার হাজার মানুষ আক্রান্ত হন এবং বহু মানুষের মৃত্যু হয়। সম্প্রতি কঙ্গো ও উগান্ডায় সংক্রমণ বাড়ায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে WHO।

ইবোলার প্রাথমিক উপসর্গ

ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর সাধারণত ২ দিন থেকে ৩ সপ্তাহের মধ্যে লক্ষণ দেখা দিতে পারে। শুরুতে উপসর্গগুলো অনেকটাই সাধারণ ফ্লুর মতো হওয়ায় রোগ শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে।

প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে-

তীব্র জ্বর
মাথাব্যথা
গলাব্যথা
শরীর ব্যথা ও দুর্বলতা
ঠাণ্ডা লাগা
ক্ষুধামন্দা
গুরুতর পর্যায়ের লক্ষণ

রোগ অগ্রসর হলে পরিস্থিতি দ্রুত জটিল হয়ে ওঠে। তখন দেখা দিতে পারে-

বমি ও তীব্র ডায়রিয়া
চোখ লাল হওয়া
ত্বকে বা শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তক্ষরণ
বিভ্রান্তি ও অস্থিরতা
খিঁচুনি
একাধিক অঙ্গ বিকল হয়ে যাওয়া
সংক্রমণ কীভাবে ছড়ায়

ইবোলা সাধারণত বাতাসে ছড়ায় না। এটি মূলত সংক্রমিত ব্যক্তির শরীরের তরল থেকে ছড়ায়।

সংক্রমণের প্রধান মাধ্যমগুলো হলো-

সংক্রমিত প্রাণী (বিশেষ করে বাদুড় বা বন্য প্রাণী) থেকে সংস্পর্শ
আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত, লালা, বমি, ঘাম বা অন্যান্য শরীরের তরল
দূষিত সুচ, সিরিঞ্জ বা ব্যক্তিগত জিনিসপত্র
কিছু ক্ষেত্রে যৌন সংস্পর্শ
চিকিৎসা ও প্রতিরোধ

ইবোলার নির্দিষ্ট চিকিৎসায় বর্তমানে মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি ব্যবহার করা হয়। পাশাপাশি রোগীর জন্য সাপোর্টিভ চিকিৎসা যেমন স্যালাইন, অক্সিজেন ও লক্ষণ নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা দেওয়া হয়।

প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ হলো-

ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় টিকা গ্রহণ
আক্রান্ত রোগীর সেবায় পিপিই ব্যবহার
সংক্রমিত ব্যক্তি বা প্রাণীর সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা
নিয়মিত সাবান-পানি দিয়ে হাত ধোয়া

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রাথমিক পর্যায়ে উপসর্গ শনাক্ত করা গেলে চিকিৎসার মাধ্যমে মৃত্যুঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।

আরও পড়ুন