২৩ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০৩:৪৭

শিরোনাম
রিহ্যাবের ৬ দফা, আবাসনে বড় বার্তা প্রধানমন্ত্রীর ভালোবাসার লিও, এই বৃষ্টি তোমার নামে লিখে দিলাম: মেসিকে নিয়ে পোস্ট পরীমনির জামায়াত থেকে বহিষ্কার এমপি গাজী নজরুল দেশে জ্বালানি তেলের সংকট নেই, গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান সরকারের ফ্রিল্যান্সারদের জন্য বৈদেশিক আয় দেশে আনতে নতুন সুবিধা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক মৃত্যুর ২৫ বছর পর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে ঠাঁই পেল আহমদ ছফার দেহাবশেষ শুল্কছাড়েও কমেনি মসলার দাম, জিরা ছাড়া সব মসলাই চড়া গ্যাস সংকটে খিলক্ষেতে এয়ারপোর্ট সড়ক অবরোধ, তীব্র যানজটে ভোগান্তি একসঙ্গে ১৬ মেট্রো স্টেশন বন্ধ, বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি ম্যানিলায় চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক
শিরোনাম
রিহ্যাবের ৬ দফা, আবাসনে বড় বার্তা প্রধানমন্ত্রীর ভালোবাসার লিও, এই বৃষ্টি তোমার নামে লিখে দিলাম: মেসিকে নিয়ে পোস্ট পরীমনির জামায়াত থেকে বহিষ্কার এমপি গাজী নজরুল দেশে জ্বালানি তেলের সংকট নেই, গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান সরকারের ফ্রিল্যান্সারদের জন্য বৈদেশিক আয় দেশে আনতে নতুন সুবিধা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক মৃত্যুর ২৫ বছর পর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে ঠাঁই পেল আহমদ ছফার দেহাবশেষ শুল্কছাড়েও কমেনি মসলার দাম, জিরা ছাড়া সব মসলাই চড়া গ্যাস সংকটে খিলক্ষেতে এয়ারপোর্ট সড়ক অবরোধ, তীব্র যানজটে ভোগান্তি একসঙ্গে ১৬ মেট্রো স্টেশন বন্ধ, বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি ম্যানিলায় চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

সবচেয়ে খারাপ রিক্রুট ছিলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস : খালেদ মুহিউদ্দীন

সবচেয়ে খারাপ রিক্রুট ছিলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস : খালেদ মুহিউদ্দীন

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০০:১৮

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কাল নিয়ে সমালোচনা করে নিউইয়র্কভিত্তিক বাংলা দৈনিক ‘ঠিকানার প্রধান সম্পাদক  খালেদ মুহিউদ্দীন বলেছেন, ‘সবচেয়ে খারাপ রিক্রুটতো ছিলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।’

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) একটি টকশো অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। খালেদ মুহিউদ্দীনের এ বক্তব্য ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। 

আলোচনায় খালেদ মুহিউদ্দীন বলেন, সরকারের নীতিনির্ধারণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় ধারাবাহিকতার অভাব ছিল। তাঁর ভাষায়, ‘মাথা যদি ঠিক না থাকে, তাহলে নিচের দিকে সব জায়গায় সমস্যা হয়। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাজের মধ্যে আমি প্রচণ্ড ইনকনসিস্টেন্সি দেখছি। একটা কাজের মধ্যে ধারাবাহিকতা পাইনি।’

অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত সরকারের কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কিছু হইলেই বলা হইছে আমলারা কথা শোনেনি। কিন্তু প্রশাসনকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করা সরকারেরই দায়িত্ব।’

তিনি আরো অভিযোগ করেন, কয়েকটি সিদ্ধান্তে ‘কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট’-এর প্রশ্ন উঠেছে। তাঁর দাবি, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতা থাকা উচিত ছিল। এসময় বিদেশ সফর প্রসঙ্গেও সমালোচনা করেন খালেদ মুহিউদ্দীন।

তিনি বলেন, ‘একজন সরকার প্রধানের বিদেশে গিয়ে একটি রাজনৈতিক দলের প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করা কতটা যৌক্তিক—সেই প্রশ্ন আছে।’

আরও পড়ুন