২৩ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০৩:২৯

শিরোনাম
রিহ্যাবের ৬ দফা, আবাসনে বড় বার্তা প্রধানমন্ত্রীর ভালোবাসার লিও, এই বৃষ্টি তোমার নামে লিখে দিলাম: মেসিকে নিয়ে পোস্ট পরীমনির জামায়াত থেকে বহিষ্কার এমপি গাজী নজরুল দেশে জ্বালানি তেলের সংকট নেই, গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান সরকারের ফ্রিল্যান্সারদের জন্য বৈদেশিক আয় দেশে আনতে নতুন সুবিধা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক মৃত্যুর ২৫ বছর পর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে ঠাঁই পেল আহমদ ছফার দেহাবশেষ শুল্কছাড়েও কমেনি মসলার দাম, জিরা ছাড়া সব মসলাই চড়া গ্যাস সংকটে খিলক্ষেতে এয়ারপোর্ট সড়ক অবরোধ, তীব্র যানজটে ভোগান্তি একসঙ্গে ১৬ মেট্রো স্টেশন বন্ধ, বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি ম্যানিলায় চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক
শিরোনাম
রিহ্যাবের ৬ দফা, আবাসনে বড় বার্তা প্রধানমন্ত্রীর ভালোবাসার লিও, এই বৃষ্টি তোমার নামে লিখে দিলাম: মেসিকে নিয়ে পোস্ট পরীমনির জামায়াত থেকে বহিষ্কার এমপি গাজী নজরুল দেশে জ্বালানি তেলের সংকট নেই, গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান সরকারের ফ্রিল্যান্সারদের জন্য বৈদেশিক আয় দেশে আনতে নতুন সুবিধা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক মৃত্যুর ২৫ বছর পর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে ঠাঁই পেল আহমদ ছফার দেহাবশেষ শুল্কছাড়েও কমেনি মসলার দাম, জিরা ছাড়া সব মসলাই চড়া গ্যাস সংকটে খিলক্ষেতে এয়ারপোর্ট সড়ক অবরোধ, তীব্র যানজটে ভোগান্তি একসঙ্গে ১৬ মেট্রো স্টেশন বন্ধ, বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি ম্যানিলায় চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

সার্বভৌম পেমেন্ট ব্যবস্থার পথে যুক্তরাজ্য

সার্বভৌম পেমেন্ট ব্যবস্থার পথে যুক্তরাজ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১৭:০৯

মার্কিন পেমেন্ট জায়ান্ট ভিসা ও মাস্টারকার্ডের বিকল্প হিসেবে একটি জাতীয় পেমেন্ট ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাজ্য। এ লক্ষ্যে খুব শিগগির দেশটির শীর্ষস্থানীয় ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীরা বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন। ধারণা করা হচ্ছে, ভবিষ্যতে রাজনৈতিক চাপের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পেমেন্ট নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

আগামী বৃহস্পতিবার বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন বারক্লেস ব্যাংকের যুক্তরাজ্য প্রধান নির্বাহী ভিম মারু। লন্ডনের আর্থিক খাতের একাধিক প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে একটি নতুন পেমেন্ট কোম্পানি গঠনের ব্যয় বহন করবে, যাতে জরুরি পরিস্থিতিতেও দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল রাখা যায়।

সরকার-সমর্থিত কিন্তু আর্থিক খাতের অর্থায়নে পরিচালিত এই পরিকল্পনা কয়েক বছর ধরেই আলোচনায় ছিল। তবে উত্তর আটলান্টিক সামরিক জোটের মিত্রদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক কঠোর অবস্থান—বিশেষ করে গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে—যুক্তরাজ্যের নীতিনির্ধারকদের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। অতিরিক্ত মার্কিন নির্ভরতা ব্রিটিশ পেমেন্ট ব্যবস্থা ও সামগ্রিক অর্থনীতিকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

দুই হাজার পঁচিশ সালে যুক্তরাজ্যের পেমেন্ট ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রক সংস্থার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির প্রায় পঁচানব্বই শতাংশ কার্ড লেনদেন ভিসা ও মাস্টারকার্ডের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। নগদ লেনদেন কমতে থাকায় এই নির্ভরতা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এক জ্যেষ্ঠ ব্যাংক কর্মকর্তা বলেন, “যদি ভিসা ও মাস্টারকার্ডের সেবা বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে আমরা যেন উনিশশ পঞ্চাশের দশকে ফিরে যাবো। তাই একটি সার্বভৌম পেমেন্ট ব্যবস্থা এখন সময়ের দাবি।”

উল্লেখ্য, রাশিয়ার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর ভিসা ও মাস্টারকার্ড সেবা বন্ধ করে দিলে দেশটিতে সাধারণ মানুষ অর্থ উত্তোলন ও কেনাকাটায় বড় ধরনের সমস্যায় পড়ে। যুক্তরাজ্যে অনুরূপ পরিস্থিতি তৈরি হলে তার প্রভাব আরও ব্যাপক হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন