২২ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ০৭:২৫

শিরোনাম
এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স রেমিট্যান্সে শক্তিশালী সূচনা, ২০ দিনেই আসলো ২ বিলিয়ন ডলার কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ৩০ জুলাই দেশজুড়ে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের ঘোষণা গুম-ক্রসফায়ার ও অপতথ্যে শূন্য সহনশীলতা, সরকারের কঠোর বার্তা এমআরটি-৫ প্রকল্পে ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় কমাল সরকার, অনুমোদনের অপেক্ষায় ডিপিপি ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের যুদ্ধের বিভীষিকা পেরিয়ে দেশে ফিরছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নাবিকরা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: শোক, স্মৃতি আর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন ভাবনা
শিরোনাম
এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স রেমিট্যান্সে শক্তিশালী সূচনা, ২০ দিনেই আসলো ২ বিলিয়ন ডলার কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ৩০ জুলাই দেশজুড়ে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের ঘোষণা গুম-ক্রসফায়ার ও অপতথ্যে শূন্য সহনশীলতা, সরকারের কঠোর বার্তা এমআরটি-৫ প্রকল্পে ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় কমাল সরকার, অনুমোদনের অপেক্ষায় ডিপিপি ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের যুদ্ধের বিভীষিকা পেরিয়ে দেশে ফিরছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নাবিকরা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: শোক, স্মৃতি আর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন ভাবনা

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরো ৮ ফ্লাইট বাতিল

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরো ৮ ফ্লাইট বাতিল

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৮ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:৫২

​মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধাবস্থায় স্থবির হয়ে পড়েছে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট কার্যক্রম। 

দীর্ঘ দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি না হওয়ায় মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) নতুন করে আরো ৮টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা শুরু হওয়ার পর থেকেই চট্টগ্রামের এই প্রধান বিমানবন্দরে ফ্লাইট বিপর্যয় চলছে। আজকের ৮টিসহ এ পর্যন্ত গত ৪১ দিনে সর্বমোট ২৭৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ। এতে চরম অনিশ্চয়তা ও ভোগান্তিতে পড়েছেন কয়েক হাজার প্রবাসী কর্মী ও যাত্রী।

বিমানবন্দর জনসংযোগ শাখা থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সারা দিন তিনটি এয়ারলাইনসের মোট ৮টি ফ্লাইট বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। এয়ার আরাবিয়ার মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত দুইটি অ্যারাইভাল এবং দুইটি ডিপার্চারসহ মোট চারটি ফ্লাইট। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি অ্যারাইভাল ও একটি ডিপার্চার ফ্লাইট। সালাম এয়ারের একটি অ্যারাইভাল ও একটি ডিপার্চার ফ্লাইট। বিশেষ করে শারজাহ, দুবাই ও আবুধাবি রুটে সালাম এয়ার, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলার ফ্লাইটগুলোর স্থবিরতা এখনো কাটেনি।

​বিপর্যয়ের মধ্যেও আজ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন রুটে পাঁচটি অ্যারাইভাল (আগত) এবং তিনটি ডিপার্চার (গমনকারী) ফ্লাইট সচল ছিল। তবে প্রয়োজনের তুলনায় এটি অত্যন্ত সামান্য বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধাবস্থার কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন না হওয়ায় ফ্লাইট চলাচলের এই স্থবিরতা এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট শিডিউল স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। ফ্লাইট বাতিলের ফলে একদিকে যেমন এয়ারলাইনসগুলো বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছে, অন্যদিকে সময়মতো কর্মস্থলে ফিরতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন হাজারো রেমিট্যান্সযোদ্ধা।

আরও পড়ুন