ফের ৬ দিনের রিমান্ডে ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক মামুন খালেদ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩১ মার্চ, ২০২৬, ১৭:৫৩
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন কেন্দ্রিক রাজধানীর মিরপুর থানার দেলোয়ার হোসেন হত্যা মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে ফের ছয়দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
এর আগে আজ এ মামলায় ৫ দিনের রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক কফিল উদ্দিন মামলার মূল রহস্য উদঘাটনের জন্য আবারও তার সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গত ২৫ মার্চ রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম রাজধানীর মিরপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সাবেক এই সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করে। পরদিন তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি ওমর ফারুক ফারুকীর রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। তিনি আদালতে বলেন, এই আসামি ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার জন্য কাজ করেছেন। তার পুরস্কার হিসেবে ডিজিএফআইয়ের পরিচালক হওয়াসহ ব্যবসা বাণিজ্য করা এবং নানা সুবিধা পেয়েছেন। শেখ হাসিনার সব অপকর্মের সহযোগী এসব বড় পদধারীরা ছিল। এজন্য তাকে পুনরায় রিমান্ডে নিয়ে তদন্তে সহায়তা করা প্রয়োজন।
আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহীন রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন শুনানি করেন। তিনি বলেন, রিমান্ড বাতিলপূর্বক জামিন চাই। ২০২০ সালে রিটায়ার্ড। চাকরি থেকে রিটায়ার্ড করে নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা আছে কি না। মামলার বাদী কিন্তু তাকে আসামি করেননি। সে এখানে সন্দিগ্ধ। তদন্ত কর্মকর্তা একটি সুনির্দিষ্ট কারণ বলতে পারেননি। তিনি দেশের জন্য জাতির জন্য কাজ করেছেন। আদালতের অনুমতি নিয়ে মামুন খালেদ বলেন, ২০২০ সালে রিটায়ার্ড, এরপরে কোনোদিন অস্ত্র বহন করিনি। আমি কাউকে হত্যার নির্দেশ দেবো কিভাবে? আমি একজন শিক্ষক, স্টুডেন্ট পড়িয়েছি। তিনটা পিএইচডি আছে আমার। আমার জীবন গেছে একাডেমিক দিকে।
আমাকে পাঁচ দিন রিমান্ডে ইতোমধ্যে এক্সোসটেডলি প্রশ্ন করা হয়েছে। আর নতুন করে কি করা হবে? আমি যেসব স্টুডেন্ট পড়াই তাদের উপর কিভাবে গুলি চালাতে বলবো? আমার ২৪ বছরের ক্যারিয়ার ধ্বংস হয়ে গেছে।
দেলোয়ার হত্যা মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে মিরপুর ১০ নম্বর ফলপট্টি এলাকায় ছাত্র-জনতার শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে দেশি অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে হামলা চালায় আওয়ামী লীগের ৫০০-৭০০ নেতাকর্মী। এসময় শেখ মামুন খালেদের নির্দেশে আন্দোলনকারীদের ওপর নির্বিচারে এলোপাতাড়ি গুলি চালানো হয়। তাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন দেলোয়ার হোসেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২১ জুলাই শ্যামলীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় ২০২৫ সালের জুলাইয়ে মিরপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
আরও পড়ুন
- • আটকের পর অমিত শাহ-ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগসহ ৫ দাবি তুললেন রাহুল গান্ধী
- • এমপি গাজী নজরুেল অডিও ভাইরাল
- • জামায়াত এমপির বিয়ে নিয়ে প্রশ্ন, কাবিননামার গোমর ফাঁস করলেন কাজী
- • দেশে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম, আজ থেকে নতুন দাম কার্যকর
- • প্রবাসীদের ভোটব্যবস্থা নিয়ে আজ বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন
- • এলএনজি সরবরাহ কমায় তীব্র গ্যাস সংকট, ভোগান্তিতে নগরবাসী
- • আবারও চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, যাত্রীর চোখে গুরুতর আঘাত
- • সৌদির সঙ্গে ৩০ বছরের পারমাণবিক চুক্তিতে অনুমোদন দিলেন ট্রাম্প
- • সরকার কোনো উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না: প্রধানমন্ত্রী
- • কাতারের সাবেক আমিরের নামে ঢাকায় সড়কের নামকরণের সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর
- • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের বৈঠক
- • হঠাৎ কাতার সফরে গেলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- • বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
- • ১০ হাজার পুলিশ নিয়োগের পরিকল্পনা করছে সরকার
- • আগামী ৫ দিন ভারী বর্ষণের আশঙ্কা: আবহাওয়া অধিদপ্তর
- • বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে সকাল-সন্ধ্যা হরতালের আহ্বান
- • বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ৫০০ শিক্ষাবৃত্তি দেবে সৌদি আরব
- • প্রধানমন্ত্রীর মুখে মধু হলেও অন্তরে ছলনা: নাহিদ ইসলাম
