২২ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ০৪:১৫

শিরোনাম
এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স রেমিট্যান্সে শক্তিশালী সূচনা, ২০ দিনেই আসলো ২ বিলিয়ন ডলার কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ৩০ জুলাই দেশজুড়ে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের ঘোষণা গুম-ক্রসফায়ার ও অপতথ্যে শূন্য সহনশীলতা, সরকারের কঠোর বার্তা এমআরটি-৫ প্রকল্পে ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় কমাল সরকার, অনুমোদনের অপেক্ষায় ডিপিপি ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের যুদ্ধের বিভীষিকা পেরিয়ে দেশে ফিরছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নাবিকরা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: শোক, স্মৃতি আর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন ভাবনা
শিরোনাম
এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স রেমিট্যান্সে শক্তিশালী সূচনা, ২০ দিনেই আসলো ২ বিলিয়ন ডলার কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ৩০ জুলাই দেশজুড়ে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের ঘোষণা গুম-ক্রসফায়ার ও অপতথ্যে শূন্য সহনশীলতা, সরকারের কঠোর বার্তা এমআরটি-৫ প্রকল্পে ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় কমাল সরকার, অনুমোদনের অপেক্ষায় ডিপিপি ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের যুদ্ধের বিভীষিকা পেরিয়ে দেশে ফিরছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নাবিকরা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: শোক, স্মৃতি আর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন ভাবনা

বিদেশি ঋণ বেড়ে ১১২ বিলিয়ন ডলার, রিজার্ভে স্বস্তি

বিদেশি ঋণ বেড়ে ১১২ বিলিয়ন ডলার, রিজার্ভে স্বস্তি

প্রকাশিত: ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ২০:৫২

বাংলাদেশ সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সংস্থা আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক ও এডিবিসহ বিভিন্ন উৎস থেকে গত জুনে পাঁচ বিলিয়নের বেশি ডলার ঋণ নিয়েছে। ফলে দেশের মোট বিদেশি ঋণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১২ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১৩ লাখ ৬২ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি খাতে ঋণ বৃদ্ধির প্রভাব প্রধান।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্স আয় ও রপ্তানি ১০ শতাংশের মতো বেড়েছে। পাশাপাশি কম সুদের ঋণের কারণে ডলার বাজারে স্থিতিশীলতা এসেছে। গত জুনে দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলারে, যা প্রায় তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। ডলারের বাজার দরও প্রায় ১২২ টাকায় স্থিতিশীল রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, পাচার কমে যাওয়ায় রেমিট্যান্স ও রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বর্তমানে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি না করে কিনতে পারছে। এ ধারা বজায় থাকলে মুদ্রার বাজারে স্বস্তি আরও বাড়বে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, করোনা পরবর্তী সময়ে অর্থ পাচার বেড়ে গেলে ডলারের মূল্য ৮৪ টাকা থেকে ১২২ টাকায় উঠে গিয়েছিল। তবে এখন বিদেশি ঋণের প্রভাব ও নীতি পরিবর্তনের কারণে মুদ্রার বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে।

আরও পড়ুন