২২ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ১৫:০৫

শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা ইউনিয়ন পরিষদ  চেয়ারম্যান পদে শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে স্নাতক, রুল জারি করেছে হাইকোর্ট প্রবাসীদের ভোটব্যবস্থা নিয়ে আজ বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স রেমিট্যান্সে শক্তিশালী সূচনা, ২০ দিনেই আসলো ২ বিলিয়ন ডলার কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ৩০ জুলাই দেশজুড়ে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের ঘোষণা
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা ইউনিয়ন পরিষদ  চেয়ারম্যান পদে শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে স্নাতক, রুল জারি করেছে হাইকোর্ট প্রবাসীদের ভোটব্যবস্থা নিয়ে আজ বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স রেমিট্যান্সে শক্তিশালী সূচনা, ২০ দিনেই আসলো ২ বিলিয়ন ডলার কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ৩০ জুলাই দেশজুড়ে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের ঘোষণা

বিচার প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ করতেই অপপ্রচার: চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন তাজুল ইসলাম

বিচার প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ করতেই অপপ্রচার: চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন তাজুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১৯:৪৪

রাজসাক্ষী বানিয়ে অর্থ বাণিজ্যসহ বিভিন্ন মাধ্যমে আনা সব অভিযোগকে ‘সর্বতোভাবে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ দাবি করে কঠোর প্রতিবাদ ও চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন।

বিবৃতিতে তাজুল ইসলাম বলেন, গত দুই দিন ধরে কিছু সংখ্যক গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একজন প্রসিকিউটরের বরাতে তার বিরুদ্ধে কিছু বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এই বক্তব্যকে সম্পূর্ণ মনগড়া ও তথ্য-প্রমাণবিহীন উল্লেখ করে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের বিচার প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অসৎ উদ্দেশ্য থেকেই এমন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

সাবেক এই চিফ প্রসিকিউটর দৃঢ়তার সাথে বলেন, “আমি চ্যালেঞ্জ করছি, আমার বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগের স্বপক্ষে সামান্য তথ্য-প্রমাণও কেউ দেখাতে পারবে না। ট্রাইব্যুনালে আমার এবং প্রসিকিউশন টিমের প্রতিটি পদক্ষেপ ছিল স্বচ্ছ ও আইনসম্মত। মূলত পতিত স্বৈরাচার ও গণহত্যাকারীদের বিচার থেকে দৃষ্টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতেই একটি মহল সুসংগঠিতভাবে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে।”

বিবৃতিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, তার দায়িত্বকালীন সময়ে কেউ কোনো প্রশ্ন তোলার সুযোগ পায়নি। তিনি বিদায় নেওয়ার পর বিশেষ কোনো মহল গণহত্যাকারীদের সুবিধা দেওয়ার জন্য এবং চলমান বিচার বাধাগ্রস্ত করতে এই অপচেষ্টা চালাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সকলকে এ ধরনের গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

আরও পড়ুন