০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৫:৩১

শিরোনাম
নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো অত্যাধুনিক ফ্লোটিং ক্রেন ‘বিএনএফসি বলীয়ান’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট
শিরোনাম
নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো অত্যাধুনিক ফ্লোটিং ক্রেন ‘বিএনএফসি বলীয়ান’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট

এসিল্যান্ডের নির্দেশেই গাছ কাটা, অতঃপর শোকজ

এসিল্যান্ডের নির্দেশেই গাছ কাটা, অতঃপর শোকজ

প্রকাশিত: ০৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:৩৯

ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের লক্ষাধিক টাকার গাছ টেন্ডার ছাড়াই কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (তহসিলদার) আবুল কালাম আজাদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। তবে, অভিযুক্ত তহসিলদারের দাবি, তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনারের (ভূমি) নির্দেশেই গাছগুলো কেটেছেন, যিনি এখন বিষয়টি অস্বীকার করে তাকে বলির পাঁঠা বানাচ্ছেন।

শনিবার (৪ অক্টোবর) ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আশাদুল হকের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তহসিলদার আবুল কালাম আজাদকে এই শোকজ করা হয়। চিঠিতে বলা হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) কর্তৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে ভূমি অফিস চত্বরের ৮টি গাছ কেটে তিনি অপরাধ করেছেন। কেন তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তার কারণ আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে দর্শাতে বলা হয়েছে।

জানা গেছে, বালিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের পাশে একটি নতুন ভবন নির্মাণের জন্য গাছগুলো কাটার প্রয়োজন ছিল। এ জন্য তহসিলদার আবুল কালাম আজাদ গাছগুলো কাটার অনুমতি চেয়ে পূর্বেই আবেদন করেছিলেন। কিন্তু পূর্ববর্তী এসিল্যান্ড গাছ কাটার অনুমতি দেননি। গত ১৪ সেপ্টেম্বর মো. আশাদুল হক নতুন এসিল্যান্ড হিসেবে যোগদানের পর তহসিলদার বিষয়টি পুনরায় উপস্থাপন করলে তিনি গাছ কাটার মৌখিক নির্দেশ দেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

গাছ কাটার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয় এবং স্থানীয়রা এসিল্যান্ডকে দায়ী করতে শুরু করেন। এরপরই তড়িঘড়ি করে তহসildarকে শোকজ করা হয়।

এ প্রসঙ্গে তহসিলদার আবুল কালাম আজাদ বলেন, “এসিল্যান্ড স্যারের নির্দেশেই গাছগুলো কাটা হয়েছে। তিনি নিজে অফিসে এসে ইঞ্জিনিয়ারের সঙ্গে কথা বলেছেন। ভবন নির্মাণের ঠিকাদারও গাছ কাটার জন্য চাপ দিচ্ছিল। ইউএনও স্যারও বিষয়টি জানেন। অথচ এখন আমাকে দোষী বানিয়ে শোকজ করা হলো।”

স্থানীয় বাসিন্দারাও এ ঘটনায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জড়িত থাকার সন্দেহ করছেন। তাদের অভিযোগ, তহসিলদারের একার পক্ষে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ ছাড়া সরকারি গাছ কাটার সাহস থাকার কথা নয়। তদন্ত করলেই আসল সত্য বেরিয়ে আসবে।

এদিকে, অভিযুক্ত এসিল্যান্ড মো. আশাদুল হকের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. খাইরুল ইসলাম বলেন, “নির্দেশ দিলেই কি তিনি আইনবহির্ভূতভাবে গাছ কাটবেন? বিষয়টি তিনি আমাকে বা এসিল্যান্ডকে লিখিতভাবে জানাতে পারতেন।”

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) বুলবুল আহমেদ জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন। তবে এমন ঘটনা ঘটে থাকলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন