০৩ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ০০:২৪

শিরোনাম
ভূমিকম্প প্রস্তুতি ও বৃক্ষরোপণে ডিএসসিসির উচ্চপর্যায়ের কমিটি লোডশেডিং ও ভূতুড়ে বিল নিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের জরুরি সভা ৩৪ কর্মকর্তাকে সহকারী সচিব পদে পদোন্নতি ছয় মাসের জন্য সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার বহাল হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত লক্ষাধিক এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম কমাল বিইআরসি শাহজালালে বিমানের কার্গোহোলে মিলল ১৬০ স্বর্ণের বার জুলাই-আগস্টে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে পারে, প্রস্তুত স্বাস্থ্য বিভাগ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
শিরোনাম
ভূমিকম্প প্রস্তুতি ও বৃক্ষরোপণে ডিএসসিসির উচ্চপর্যায়ের কমিটি লোডশেডিং ও ভূতুড়ে বিল নিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের জরুরি সভা ৩৪ কর্মকর্তাকে সহকারী সচিব পদে পদোন্নতি ছয় মাসের জন্য সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার বহাল হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত লক্ষাধিক এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম কমাল বিইআরসি শাহজালালে বিমানের কার্গোহোলে মিলল ১৬০ স্বর্ণের বার জুলাই-আগস্টে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে পারে, প্রস্তুত স্বাস্থ্য বিভাগ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ধানের বদলে ঘাস চাষে ঝুঁকছেন ফেনীর কৃষকেরা

ধানের বদলে ঘাস চাষে ঝুঁকছেন ফেনীর কৃষকেরা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০২ জুলাই, ২০২৬, ১১:০০

প্রাকৃতিক দুর্যোগ, জলাবদ্ধতা এবং উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় ফেনীতে ধান চাষ ক্রমেই অলাভজনক হয়ে উঠছে। এ কারণে অনেক কৃষক বিকল্প হিসেবে আবাদি জমিতে উন্নত জাতের ঘাস চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। কেউ নিজস্ব খামারের পশুখাদ্যের জন্য ঘাস উৎপাদন করছেন, আবার কেউ খামারিদের কাছে জমি ইজারা দিচ্ছেন। কৃষকদের দাবি, ধানের তুলনায় ঘাস চাষে বছরে কয়েক গুণ বেশি লাভ করা সম্ভব।

স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জেলার ছয়টি উপজেলাতেই ধানের পরিবর্তে ঘাস চাষের প্রবণতা বাড়ছে। তাঁদের ভাষ্য, এক বিঘা জমিতে ব্রি-২৮ বা ব্রি-২৯ জাতের ধান চাষে বছরে সর্বোচ্চ ২০ মণ ফলন পাওয়া গেলেও চারা, সার, সেচ ও শ্রমিকের বাড়তি খরচের কারণে লাভের পরিমাণ কমে যাচ্ছে।

অন্যদিকে একবার ঘাসের চারা রোপণ করলে বছরে পাঁচ থেকে ছয়বার পর্যন্ত ঘাস কাটা যায়। প্রথমবার কাটার পর পুনরায় চারা লাগাতে হয় না, ফলে উৎপাদন ব্যয়ও তুলনামূলকভাবে কম থাকে।

কৃষকদের হিসাবে, এক বিঘা জমিতে ঘাস চাষে চারা কিনতে প্রায় দুই হাজার টাকা, শ্রমিক মজুরি দুই হাজার টাকা এবং ২০ কেজি ইউরিয়া সারের জন্য প্রায় ৮০০ টাকা ব্যয় হয়। গোখাদ্যের উচ্চমূল্যের কারণে এই ঘাস খামারিদের জন্যও সাশ্রয়ী বিকল্প হয়ে উঠেছে। ফলে আবাদি জমির পাশাপাশি পতিত জমি, সড়কের পাশ এবং ডোবা-নালার পাড়েও ঘাস চাষ করা হচ্ছে।

দাগনভূঞা উপজেলার মেসার্স এইচ. এ. হাশেম এগ্রো ফার্মের মালিক আমজাদ হোসেন বলেন, ধানের পরিবর্তে তাঁরা এখন জার্মান ঘাস চাষ করছেন। এতে ধানের তুলনায় বেশি লাভ হচ্ছে।

ফেনী জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন, জেলায় উন্নত জাতের ঘাস চাষ দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। বর্তমানে ৪০ দশমিক ২৬ একর জমিতে নেপিয়ার ঘাস, ৩৪ দশমিক ১৬ একর জমিতে পাকচং ঘাস এবং ৭৫ দশমিক ৫২ একর জমিতে জার্মান ঘাস চাষ করা হয়েছে। এসব জমি থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পশুখাদ্য উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার পুষ্টি চাহিদা পূরণে প্রাণিজ আমিষ উৎপাদন বাড়ানোর বিকল্প নেই। কিন্তু চারণভূমি কমে যাওয়ায় উন্নত জাতের গবাদিপশু পালনে কাঁচা ঘাসের চাহিদা বেড়েছে। এ কারণে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর উন্নত জাতের ঘাসের কাটিং বিতরণসহ চাষ সম্প্রসারণে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এতে পশুখাদ্যের ব্যয় কমছে এবং খামারিরাও অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।

আরও পড়ুন