০৫ জুলাই ২০২৬, রবিবার, ০৭:৪৪

শিরোনাম
ইউএন-কপস সম্মেলনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফরিদপুরে বিভাগ ও সিটি করপোরেশনের পরিকল্পনা সরকারের: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চিঠি স্পিকা‌র হাফিজ উদ্দিনের সঙ্গে আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ সব হাসপাতালের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৬টি নতুন নির্দেশনা অন্যায়কারীর বিচার হবে, অবিচার নয়: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ এখন বৈশ্বিক বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্য: অর্থমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৮৩৩
শিরোনাম
ইউএন-কপস সম্মেলনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফরিদপুরে বিভাগ ও সিটি করপোরেশনের পরিকল্পনা সরকারের: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চিঠি স্পিকা‌র হাফিজ উদ্দিনের সঙ্গে আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ সব হাসপাতালের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৬টি নতুন নির্দেশনা অন্যায়কারীর বিচার হবে, অবিচার নয়: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ এখন বৈশ্বিক বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্য: অর্থমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৮৩৩

বাংলাদেশ এখন বৈশ্বিক বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্য: অর্থমন্ত্রী

বাংলাদেশ এখন বৈশ্বিক বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্য: অর্থমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৪ জুলাই, ২০২৬, ১৬:৫৪

বাংলাদেশ এখন বৈশ্বিক বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্যে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই), ক্যাপিটাল মার্কেট এবং ফান্ড ম্যানেজারদের বিনিয়োগ—সবই বাংলাদেশে আসবে।

শনিবার (৪ জুলাই) চট্টগ্রামে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের গন্তব্য। তাই এ বিষয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।”

তিনি জানান, এবারের বাজেট দেশের প্রতিটি অঞ্চলের সম্ভাবনাকে বিবেচনায় রেখে প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রতিটি এলাকার অর্থনৈতিক সক্ষমতাকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

চট্টগ্রামের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে আমির খসরু বলেন, বন্দর, ভৌগোলিক অবস্থান এবং কৌশলগত গুরুত্বের কারণে চট্টগ্রাম দেশের অর্থনীতিতে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে। এ কারণেই এ অঞ্চলের উন্নয়নকে কেন্দ্র করে একাধিক বৃহৎ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, কর্ণফুলী নদীর ওপারে ৬০০ একর জমিতে একটি ফ্রি জোন গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি চট্টগ্রামে একাধিক সমুদ্রবন্দর, একটি লজিস্টিক হাব, চট্টগ্রাম বিমানবন্দরকে কার্গো ও যাত্রীবাহী হাব হিসেবে উন্নয়ন এবং চাইনিজ ইকোনমিক জোন প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে।

এ ছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে লাকসাম অংশের উন্নয়নের মাধ্যমে ট্রেনের যাত্রাসময় প্রায় দুই ঘণ্টা কমিয়ে আনার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। একই সঙ্গে মাতারবাড়িকে কেন্দ্র করেও বড় ধরনের উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে বলে উল্লেখ করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে কয়েক বছর সময় লাগবে। তবে সরকার দ্রুত কাজ শুরু করার চেষ্টা করছে।

বাজেট বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। আগের সরকারের কাছ থেকে পাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব মোকাবিলা করে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে হবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী তৃতীয় বা চতুর্থ বছর থেকে দেশের অর্থনীতিতে দৃশ্যমান অগ্রগতি আসবে এবং বাংলাদেশ ধীরে ধীরে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাবে।

আরও পড়ুন