০৪ জুলাই ২০২৬, শনিবার, ২৩:০০

শিরোনাম
ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চিঠি স্পিকা‌র হাফিজ উদ্দিনের সঙ্গে আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ সব হাসপাতালের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৬টি নতুন নির্দেশনা অন্যায়কারীর বিচার হবে, অবিচার নয়: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ এখন বৈশ্বিক বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্য: অর্থমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৮৩৩ বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলে নতুন নির্বাহী পরিচালক নিয়োগ ৯০ দিনের মজুতের লক্ষ্যে প্রায় ৫ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করবে সরকার
শিরোনাম
ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চিঠি স্পিকা‌র হাফিজ উদ্দিনের সঙ্গে আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ সব হাসপাতালের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৬টি নতুন নির্দেশনা অন্যায়কারীর বিচার হবে, অবিচার নয়: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ এখন বৈশ্বিক বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্য: অর্থমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৮৩৩ বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলে নতুন নির্বাহী পরিচালক নিয়োগ ৯০ দিনের মজুতের লক্ষ্যে প্রায় ৫ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করবে সরকার

মুসলিম বিশ্বের ঐক্যই বড় শক্তি: লারিজানি

মুসলিম বিশ্বের ঐক্যই বড় শক্তি: লারিজানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭ মার্চ, ২০২৬, ০০:২৪

লারিজানি বলেন, “কিছু দেশ তো আরো এক ধাপ এগিয়ে গেছে। তারা ইরানকে নিজেদের প্রতিপক্ষ ঘোষণা করেছে, শুধু এই কারণে যে, ইরান তাদের ভূখণ্ডে অবস্থিত আমেরিকান ঘাঁটি এবং আমেরিকান ও ইসরায়েলি স্বার্থ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।”

আলজাজিরা লিখেছে, যদিও ইরান জোর দিয়ে বলছে, তারা মধ্যপ্রাচ্যে কেবল মার্কিন স্বার্থকেই লক্ষ্যবস্তু করছে, তবু তাদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র উপসাগরীয় অঞ্চলের হোটেল ও জ্বালানি স্থাপনাসহ বেসামরিক স্থাপনাগুলোকেও আঘাত করেছে।

লারিজানি বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি থাকা অবস্থায় ইরানকে হাত গুটিয়ে বসে থাকার আশা করা যায় না।

তিনি বলেন, “আজকের এই মুখোমুখি অবস্থান বাস্তবে একদিকে আমেরিকা ও ইসরায়েল, আর অন্যদিকে মুসলিম ইরান ও প্রতিরোধের শক্তির মধ্যে। তাহলে আপনারা কোন পক্ষের?”

লারিজানি মুসলিম ঐক্যের আহ্বান জানান এবং জোর দিয়ে বলেন, ইরান অঞ্চলটির (মধ্যপ্রাচ্য) ওপর কোনো আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে চায় না।

তিনি বলেন, “আপনারা খুব ভালো করেই জানেন, আমেরিকার কোনো আনুগত্য নেই, আর ইসরায়েল প্রকৃতপক্ষে আপনাদের শত্রু।”

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথভাবে আগ্রসান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। সংক্ষিপ্ত সময়ে এই চাপিয়ে দেওয়া এই যুদ্ধ ট্রাম্প শেষ করার কথা বললেও এখন তার অবস্থান পরিষ্কার নয়। একেক সময় একেক ধরনের কথা বলে যাচ্ছেন। অন্যদিকে ইরান দীর্ঘযুদ্ধেও তাদের লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা বলে যাচ্ছে।

অবশ্য এই যুদ্ধে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশগুলোতে যুুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে যুদ্ধের পরিসর বাড়িয়েছে ইরান। এসব আরব দেশ জাতিসংঘে ইরানের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব তুললে তা পাসও হয়। ফলে আরব দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র অনারব দেশ ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সামগ্রিকভাবে মোকাবিলা করছে। এই লড়াইয়ে তারা মুসলিম দেশগুলোর সমর্থন চায়। ইরানের সামরিক প্রধান লারিজানির মুখে আবার সেই সুর শোনা গেল।

আরও পড়ুন