০৫ জুলাই ২০২৬, রবিবার, ০২:৫০

শিরোনাম
ইউএন-কপস সম্মেলনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফরিদপুরে বিভাগ ও সিটি করপোরেশনের পরিকল্পনা সরকারের: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চিঠি স্পিকা‌র হাফিজ উদ্দিনের সঙ্গে আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ সব হাসপাতালের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৬টি নতুন নির্দেশনা অন্যায়কারীর বিচার হবে, অবিচার নয়: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ এখন বৈশ্বিক বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্য: অর্থমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৮৩৩
শিরোনাম
ইউএন-কপস সম্মেলনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফরিদপুরে বিভাগ ও সিটি করপোরেশনের পরিকল্পনা সরকারের: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চিঠি স্পিকা‌র হাফিজ উদ্দিনের সঙ্গে আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ সব হাসপাতালের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৬টি নতুন নির্দেশনা অন্যায়কারীর বিচার হবে, অবিচার নয়: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ এখন বৈশ্বিক বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্য: অর্থমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৮৩৩

সমালোচনার মাঝেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বিমানের মিজানুর রশীদ

সমালোচনার মাঝেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বিমানের মিজানুর রশীদ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১৯:৫৯

সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বিভাগীয় মামলার মুখোমুখি ছিলেন মো. মিজানুর রশীদ। যদিও তার পক্ষ থেকে মামলা থেকে অব্যাহতির দাবি জানানো হয়েছে, তবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এখনো বিষয়টি অনুসন্ধান করছে।

এই পরিস্থিতির মধ্যেই তাকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের প্রশাসন, মানবসম্পদ ও অর্থ বিভাগসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

মিজানুর রশীদ গত ৪ মার্চ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক (যানবাহন) পদ থেকে বদলি হয়ে অর্থ ও হিসাব বিভাগে নিয়োগ পান। পরের দিন তাকে প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। পাশাপাশি একই সঙ্গে প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্ব এবং অর্থ বিভাগের পরিচালকের দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে, যা মহাব্যবস্থাপকের চেয়েও উচ্চ পদমর্যাদার।

বিমানের একাধিক কর্মকর্তার মতে, দুর্নীতির অভিযোগের মুখে থাকা একজনকে এত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া নিয়ে তারা বিস্মিত। সূত্রের দাবি, মিজানুর রশীদ হয়তো বিমানের সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তাদের একটি শক্তিশালী পক্ষের তদবিরেই এসব দায়িত্ব পেয়েছেন। এতে একজন অবসরপ্রাপ্ত পরিচালকের নামও আলোচনায় এসেছে, যিনি নিজেকে একজন মন্ত্রীর আত্মীয় হিসেবে পরিচয় দেন।

সূত্র আরও জানায়, মিজানুর রশীদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে বিমানের সঙ্গে যুক্ত। তার বাবা ও এক ভাইও বিমানে চাকরি করতেন। বড় ভাই মো. হারুন অর রশীদ ভ্রমণ ও দৈনিক ভাতার ভুয়া ভাউচার তৈরি করে ছয় কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হন। ২০১৮ সালে ঢাকার মহানগর বিশেষ জজ আদালত তাকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও জরিমানা দেন। বর্তমানে তিনি পলাতক।

নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে মিজানুর রশীদ জানিয়েছেন, তাকে বিভাগীয় মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং দুদকও তাকে অব্যাহতি দিয়েছে।

তবে দুদকের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম জানান, মিজানুর রশীদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান এখনো চলমান এবং বিভিন্ন সংস্থা থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। সূত্রে জানা যায়, গত ১০ ফেব্রুয়ারি দুদক বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে চিঠি পাঠিয়ে সফটওয়্যার কেনা, অভ্যন্তরীণ তদন্ত প্রতিবেদন এবং বিভাগীয় মামলার তথ্য চেয়েছে। সংশ্লিষ্ট তথ্য শেষ সপ্তাহে দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছেছে।
 

আরও পড়ুন