২৩ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৩:০৩

শিরোনাম
জুয়া-ফিক্সিংয়ে কঠোর আইন, সংসদে বিল জলবায়ু তহবিল দ্রুত কার্যকর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে যোগ দিতে দুই মন্ত্রী ঢাকা ছাড়ছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নামে ভুয়া পেজ খুলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি সৌরবিদ্যুতে সুখবরের ইঙ্গিত দিলেন চিফ হুইপ! বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ WEF প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ডেঙ্গু মোকাবিলায় বিশেষ টাস্কফোর্স গঠনের সিদ্ধান্ত
শিরোনাম
জুয়া-ফিক্সিংয়ে কঠোর আইন, সংসদে বিল জলবায়ু তহবিল দ্রুত কার্যকর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে যোগ দিতে দুই মন্ত্রী ঢাকা ছাড়ছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নামে ভুয়া পেজ খুলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি সৌরবিদ্যুতে সুখবরের ইঙ্গিত দিলেন চিফ হুইপ! বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ WEF প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ডেঙ্গু মোকাবিলায় বিশেষ টাস্কফোর্স গঠনের সিদ্ধান্ত

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় কামরুল-মেননের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু আজ

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় কামরুল-মেননের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু আজ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৩ জুন, ২০২৬, ১০:৩৯

জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম এবং ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হচ্ছে আজ।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১–এ বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে মামলাটির কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর আগে মামলার সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) উপস্থাপন করা হবে। এরপর প্রথম সাক্ষীর জবানবন্দির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শুরু হবে।

এর আগে গত ১৭ জুন মামলার শুনানির তারিখ নির্ধারিত থাকলেও পরে আবেদন অনুযায়ী তা পিছিয়ে ২৩ জুন নির্ধারণ করা হয়।

গত ৩০ এপ্রিল ট্রাইব্যুনাল কামরুল ইসলাম ও রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের ক্ষমতা ধরে রাখতে তারা বিভিন্ন বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে উসকানি দিয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়, আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলীয় জোটের শীর্ষ পর্যায়ের নেতা হিসেবে তারা আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণে প্ররোচনা দিয়েছেন।

মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের ভূমিকার ধারাবাহিকতায় আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানো হয়, যার ফলে রাজধানীর বাড্ডাসহ বিভিন্ন এলাকায় ২৩ জন নিহত এবং বহু মানুষ আহত হন।

এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন