২৩ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৪:৩০

শিরোনাম
২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য সরকারের জেলা পর্যায়ে উন্নত চক্ষুসেবা সম্প্রসারণে পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা সরকারের : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের প্রেস সচিব তারিক চয়নের পদত্যাগ মহেশখালীর কারিগরি ত্রুটিতে জাতীয় গ্রিডে প্রভাব, তীব্র গ্যাস সংকট রাজধানীতে এআরএফ সম্মেলনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ খলিলুর রহমানের সার–সংকটে খাদ্য উৎপাদনের শঙ্কা, ঝুঁকিতে ১ কোটি ৮১ লাখ মানুষ: ডব্লিউএফপি অক্টোবরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, আগস্টে তফসিল ঘোষণার প্রস্তুতি ইসির
শিরোনাম
২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য সরকারের জেলা পর্যায়ে উন্নত চক্ষুসেবা সম্প্রসারণে পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা সরকারের : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের প্রেস সচিব তারিক চয়নের পদত্যাগ মহেশখালীর কারিগরি ত্রুটিতে জাতীয় গ্রিডে প্রভাব, তীব্র গ্যাস সংকট রাজধানীতে এআরএফ সম্মেলনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ খলিলুর রহমানের সার–সংকটে খাদ্য উৎপাদনের শঙ্কা, ঝুঁকিতে ১ কোটি ৮১ লাখ মানুষ: ডব্লিউএফপি অক্টোবরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, আগস্টে তফসিল ঘোষণার প্রস্তুতি ইসির

জেলা পর্যায়ে উন্নত চক্ষুসেবা সম্প্রসারণে পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা সরকারের : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

জেলা পর্যায়ে উন্নত চক্ষুসেবা সম্প্রসারণে পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা সরকারের : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৩ জুলাই, ২০২৬, ১৩:১৯

আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে ছানিজনিত অন্ধত্ব (ক্যাটারাক্ট ব্লাইন্ডনেস) নির্মূলের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারি, বেসরকারি ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার (এনজিও) সমন্বয়ে একটি জাতীয় কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে উন্নত চক্ষুসেবা: দৃষ্টিপ্রতিবন্ধকতা হ্রাস এবং অন্ধত্ব প্রতিরোধে কর্মপরিকল্পনা’ শীর্ষক স্টেকহোল্ডার কনসালটেশন কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে সরকারি, বেসরকারি ও এনজিও খাতে চক্ষুসেবায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলেও এখনো একটি সমন্বিত জাতীয় তথ্যব্যবস্থা ও অভিন্ন রিপোর্টিং কাঠামো গড়ে ওঠেনি। এ ঘাটতি পূরণে পাঁচ বছর মেয়াদি জাতীয় কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি জানান, কর্মপরিকল্পনার প্রথম বছরেই দেশের জেলা হাসপাতালগুলোর চক্ষুসেবার সক্ষমতা মূল্যায়ন করা হবে। কোথায় কী ধরনের ঘাটতি রয়েছে, তা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সেবার মানোন্নয়নে উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি জেলা পর্যায়ে উন্নত চক্ষুচিকিৎসা সম্প্রসারণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

শিশুদের দৃষ্টিস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিদ্যালয়ভিত্তিক চোখের স্ক্রিনিং কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান ড. মুহিত। তিনি বলেন, যেসব শিক্ষার্থীর প্রয়োজন হবে, তাদের বিনামূল্যে চশমা সরবরাহের ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া শিল্পকারখানা, অফিস ও অন্যান্য কর্মস্থলে কর্মজীবী মানুষের চোখের স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় চশমা সরবরাহের উদ্যোগও নেওয়া হবে।

বয়স্ক মানুষের মধ্যে ছানিজনিত অন্ধত্ব কমাতে বৃহৎ পরিসরে ক্যাটারাক্ট সার্জারি কার্যক্রম পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, প্রতিবছর কয়েক লাখ সফল ছানি অস্ত্রোপচার নিশ্চিত করা গেলে আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যেই বাংলাদেশকে ছানিজনিত অন্ধত্বমুক্ত করা সম্ভব হবে।

চক্ষুচিকিৎসায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশেষ করে ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি শনাক্ত ও চিকিৎসায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)ভিত্তিক স্ক্রিনিং ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারের লক্ষ্য উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর চক্ষুচিকিৎসা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছেও পৌঁছে দেওয়া।

তিনি আরও বলেন, চক্ষুচিকিৎসা খাতের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ দক্ষ জনবলের ঘাটতি। এ কারণে চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বাড়িয়ে আরও দক্ষ চক্ষু বিশেষজ্ঞ তৈরি করা হবে।

কর্মশালায় জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. এ.এস.এম.এম. এবং সহযোগী অধ্যাপক (অফথালমোলজি) ড. সৈয়দ মেহবুব উল কাদির বক্তব্য দেন। এছাড়া এআরকে ফাউন্ডেশন ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রতিনিধিরা মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। পরে উন্মুক্ত আলোচনায় দেশের জ্যেষ্ঠ চক্ষু বিশেষজ্ঞ, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, জেলা পর্যায়ের চিকিৎসক এবং দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

আরও পড়ুন