২৩ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৩:২৪

শিরোনাম
জুয়া-ফিক্সিংয়ে কঠোর আইন, সংসদে বিল জলবায়ু তহবিল দ্রুত কার্যকর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে যোগ দিতে দুই মন্ত্রী ঢাকা ছাড়ছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নামে ভুয়া পেজ খুলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি সৌরবিদ্যুতে সুখবরের ইঙ্গিত দিলেন চিফ হুইপ! বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ WEF প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ডেঙ্গু মোকাবিলায় বিশেষ টাস্কফোর্স গঠনের সিদ্ধান্ত
শিরোনাম
জুয়া-ফিক্সিংয়ে কঠোর আইন, সংসদে বিল জলবায়ু তহবিল দ্রুত কার্যকর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে যোগ দিতে দুই মন্ত্রী ঢাকা ছাড়ছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নামে ভুয়া পেজ খুলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি সৌরবিদ্যুতে সুখবরের ইঙ্গিত দিলেন চিফ হুইপ! বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ WEF প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ডেঙ্গু মোকাবিলায় বিশেষ টাস্কফোর্স গঠনের সিদ্ধান্ত

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী পাচ্ছেন মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী পাচ্ছেন মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৫ মার্চ, ২০২৬, ২৩:০৮

জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা 'স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬'-এর জন্য মনোনীত হয়েছেন বিশিষ্ট চিকিৎসক, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। 

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সমাজসেবা ও জনসেবায় অসামান্য অবদানের জন্য তাঁকে মরণোত্তর এই সম্মাননায় ভূষিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ছিলেন বাংলাদেশের একজন বরেণ্য চিকিৎসক, জনস্বাস্থ্য আন্দোলনের পথিকৃৎ এবং স্বাধীন বাংলাদেশের অন্যতম রূপকার। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় আহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসাসেবা প্রদানের জন্য ‘বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি সারাজীবন সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ঘোষণা অনুযায়ী, তিনি মূলত 'সমাজসেবা ও জনসেবা' খাতে তাঁর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী এমন একজন ব্যক্তিত্ব ছিলেন, যিনি চিকিৎসাকে কেবল পেশা হিসেবে নয়, বরং একটি সামাজিক আন্দোলন হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। দেশের স্বাস্থ্য খাত, ঔষধ নীতি এবং দরিদ্র মানুষের দোরগোড়ায় চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর আজীবনের সংগ্রাম ও সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এই মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। 

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে অসংখ্য মাইলফলক রয়েছে, যার মধ্যে প্রধান কয়েকটি হলো- 
১৯৭২ সালে তিনি 'গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র' প্রতিষ্ঠা করেন, যা গ্রামপর্যায়ে সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা ও কমিউনিটি ভিত্তিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার এক অনন্য মডেল হিসেবে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি পায়।

১৯৮২ সালে প্রণীত দেশের 'জাতীয় ঔষধ নীতি' ছিল তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম সাহসী পদক্ষেপ। এর ফলে সাধারণ মানুষ সুলভ মূল্যে অত্যাবশ্যকীয় ঔষধ পাওয়ার অধিকার পায় এবং দেশের ঔষধ শিল্প বিকাশের পথ প্রশস্ত হয়।

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি বিলেতের পড়াশোনা মাঝপথে ছেড়ে দেশে ফিরে আসেন এবং বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল গড়ে তুলে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা দেন।

২০২৬ সালের পূর্বেও ১৯৭৭ সালে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে অবদানের জন্য স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছিলেন। এবার মরণোত্তর এই পুরস্কার ঘোষণার পর জনমনে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে।

আরও পড়ুন