১৭ জুন ২০২৬, বুধবার, ১৮:০৪

শিরোনাম
চালের বাজার স্থিতিশীল, মজুতেও নেই ঘাটতি: বাণিজ্যমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ৭৭ দেশীয় প্রযুক্তিতে কোস্টগার্ডের অপারেশনাল সক্ষমতা বাড়াতে নতুন প্রকল্প দেশে প্রথমবার ফ্রি ট্রেড জোন গঠনের সিদ্ধান্ত, জানালেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব আজ বুধবার মৌলভীবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষ্যে বন্ধ থাকবে মৌলভীবাজারের ৯২ চা বাগান চলতি মাসে আরও ৪ কার্গো এলএনজি আমদানি করবে সরকার প্রতিশোধের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
শিরোনাম
চালের বাজার স্থিতিশীল, মজুতেও নেই ঘাটতি: বাণিজ্যমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ৭৭ দেশীয় প্রযুক্তিতে কোস্টগার্ডের অপারেশনাল সক্ষমতা বাড়াতে নতুন প্রকল্প দেশে প্রথমবার ফ্রি ট্রেড জোন গঠনের সিদ্ধান্ত, জানালেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব আজ বুধবার মৌলভীবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষ্যে বন্ধ থাকবে মৌলভীবাজারের ৯২ চা বাগান চলতি মাসে আরও ৪ কার্গো এলএনজি আমদানি করবে সরকার প্রতিশোধের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১০৯ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সন্ধান পাওয়ার দাবি মিয়ানমারের

১০৯ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সন্ধান পাওয়ার দাবি মিয়ানমারের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭ জুন, ২০২৬, ১৬:৩৯

মিয়ানমার চারটি নতুন অফশোর গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের দাবি করেছে। দেশটির সামরিক সরকারের তথ্য অনুযায়ী, এসব ক্ষেত্র থেকে প্রায় ১০৯ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ) প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তোলনের সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে তানিনথারিই গভীর সমুদ্রাঞ্চলের একটি ক্ষেত্রেই প্রায় ৯৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুত থাকার কথা বলা হয়েছে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, ঘোষিত ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে আন্দামান সাগরে অবস্থিত ব্লক এম-১৫ অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। ২০২৫ সালে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে এই ব্লকে প্রায় ৯৪ দশমিক ৬ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সম্ভাবনার কথা উঠে আসে। এই পরিমাণ মজুত বাণিজ্যিকভাবে উত্তোলনযোগ্য প্রমাণিত হলে এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ গ্যাস আবিষ্কার হিসেবে বিবেচিত হবে।

২০১৫ সালে সিঙ্গাপুরভিত্তিক কানাডিয়ান ফোরসাইট গ্রুপ (সিএফজি) রাষ্ট্রায়ত্ত মিয়ানমার অয়েল অ্যান্ড গ্যাস এন্টারপ্রাইজের (এমওজিই) সঙ্গে উৎপাদন-বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষর করে। পূর্ববর্তী মূল্যায়ন অনুযায়ী, ব্লক এম-১৫-এর সম্ভাব্য গ্যাস সম্পদের বাজারমূল্য প্রায় ২৮০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হতে পারে।

২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, নিরাপত্তা সংকট এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বিশ্বের কয়েকটি বড় জ্বালানি প্রতিষ্ঠান মিয়ানমার থেকে কার্যক্রম গুটিয়ে নেয়। তবে নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের এই ঘোষণা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, বৈদেশিক মুদ্রার সংকট মোকাবিলা এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে দেশটির জান্তা সরকার জ্বালানি খাতকে আবারও সক্রিয় করার চেষ্টা করছে।

তবে ঘোষিত গ্যাস মজুতের প্রকৃত চিত্র নির্ভর করবে অনুসন্ধান তথ্যের স্বাধীন যাচাই, বাণিজ্যিক উত্তোলন সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার প্রভাব এবং দেশটির চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর। বর্তমানে ১০৯ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুতের তথ্য মূলত সামরিক সরকারের দাবির ভিত্তিতে প্রকাশিত হয়েছে এবং তা এখনো আন্তর্জাতিকভাবে পূর্ণাঙ্গ যাচাইয়ের মধ্য দিয়ে যায়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, এই আবিষ্কার বাস্তবে রূপ পেলে মিয়ানমার শুধু আঞ্চলিক জ্বালানি বাজারেই নয়, বঙ্গোপসাগর ও আন্দামান অঞ্চলের ভূরাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সমীকরণেও গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান অর্জন করতে পারে।

আরও পড়ুন