২৬ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ০০:০৫

শিরোনাম
আশুরার শিক্ষা শান্তি ও ন্যায়ের পথ দেখায়: প্রধানমন্ত্রী ১ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা সরকারের: অর্থমন্ত্রী শুক্রবার ৬ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায় বর্ষার শুরুতেই বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, আক্রান্তদের বেশিরভাগই শিশু বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের নতুন অধ্যায়, সই হবে ১৫ চুক্তি পূর্ববর্তী সরকারের ১,৩০০ উন্নয়ন প্রকল্প এখন সরকারের ‘গলার কাঁটা’: অর্থমন্ত্রী এক বছরে সেবা খাতে ঘুষ লেনদেন ১২ হাজার ৬৩৩ কোটি টাকা: টিআইবি ঢাকা-তেহরান সরাসরি ফ্লাইট চালুর প্রস্তাব ইরানের
শিরোনাম
আশুরার শিক্ষা শান্তি ও ন্যায়ের পথ দেখায়: প্রধানমন্ত্রী ১ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা সরকারের: অর্থমন্ত্রী শুক্রবার ৬ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায় বর্ষার শুরুতেই বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, আক্রান্তদের বেশিরভাগই শিশু বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের নতুন অধ্যায়, সই হবে ১৫ চুক্তি পূর্ববর্তী সরকারের ১,৩০০ উন্নয়ন প্রকল্প এখন সরকারের ‘গলার কাঁটা’: অর্থমন্ত্রী এক বছরে সেবা খাতে ঘুষ লেনদেন ১২ হাজার ৬৩৩ কোটি টাকা: টিআইবি ঢাকা-তেহরান সরাসরি ফ্লাইট চালুর প্রস্তাব ইরানের

৩০ হাজার মামলার জটে স্থবির শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম: শিক্ষামন্ত্রী

৩০ হাজার মামলার জটে স্থবির শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম: শিক্ষামন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৩ জুন, ২০২৬, ১৪:৫১

সারা দেশে প্রায় ৩০ হাজার মামলার জটের কারণে শত শত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে চট্টগ্রাম কলেজ মিলনায়তনে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। সভায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা অংশ নেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, ২০১৭ সালে সৃষ্ট একটি আইনি জটিলতার কারণে ৩২ হাজার ৫০০ জন প্রধান শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতির প্রক্রিয়া আটকে রয়েছে। তবে আগামী ২ জুলাই আপিল বিভাগে মামলাটির রায় ঘোষণার দিন নির্ধারিত রয়েছে।

তিনি বলেন, “আমরা আশা করছি, কাঙ্ক্ষিত রায় পেলে দীর্ঘদিনের এই জটিলতার অবসান হবে এবং শূন্য পদগুলোতে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে।”

পরীক্ষায় নকল প্রতিরোধ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “২০০৬ সালে আমরা নকলের কবর দিয়েছি। কিন্তু এখন নকল ডিজিটাল রূপ নিয়েছে। তাই প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন নিশ্চিত করতে হবে। ডিজিটাল ভিজিল্যান্সের মাধ্যমেই এ ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধ করা সম্ভব।”

তিনি আরও জানান, দেশের শিক্ষা খাতে বর্তমানে বিপুলসংখ্যক শিক্ষকের ঘাটতি রয়েছে। এমপিওভুক্তির বিদ্যমান ব্যাকলগ পূরণে আরও ৭৭ হাজার শিক্ষক প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

শিক্ষাব্যবস্থায় বিভিন্ন পর্যায়ে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে মন্ত্রী বলেন, “শিক্ষার উন্নয়নে সহযোগিতার পরিবর্তে একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের গোপন অনুসারীরা বিভিন্ন জায়গায় বাধা সৃষ্টি করছে।”

জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রশাসনে কোনো ধরনের দুর্বলতা বা শৈথিল্য বরদাশত করা হবে না।

শিক্ষা খাতের বাজেট প্রসঙ্গে ড. মিলন বলেন, অতীতে বিভিন্ন খাতের বাজেট শিক্ষা খাতের সঙ্গে যুক্ত করে প্রকৃত চিত্র আড়াল করা হয়েছিল। তবে চলতি অর্থবছরে শিক্ষার জন্য ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই অর্থের যথাযথ ও কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

আরও পড়ুন