০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৯:৩৪

শিরোনাম
তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে শিক্ষাখাতের বাজেটে থাকছে সর্বোচ্চ বরাদ্দ : শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রান্তিক গ্রাহকদের বিবেচিনায় রেখে বিদ্যুৎমূল্য পুনঃবিবেচনার অনুরোধ জানায় বিদ্যুৎ বিভাগ হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর প্রাণহানি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো অত্যাধুনিক ফ্লোটিং ক্রেন ‘বিএনএফসি বলীয়ান’
শিরোনাম
তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে শিক্ষাখাতের বাজেটে থাকছে সর্বোচ্চ বরাদ্দ : শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রান্তিক গ্রাহকদের বিবেচিনায় রেখে বিদ্যুৎমূল্য পুনঃবিবেচনার অনুরোধ জানায় বিদ্যুৎ বিভাগ হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর প্রাণহানি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো অত্যাধুনিক ফ্লোটিং ক্রেন ‘বিএনএফসি বলীয়ান’

হরমুজ নিয়ে ফের স্পষ্ট বার্তা, নিয়ন্ত্রণ চায় ইরান

হরমুজ নিয়ে ফের স্পষ্ট বার্তা, নিয়ন্ত্রণ চায় ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:৫৮

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহার নিয়ে নতুন করে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছে ইরান। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে কার্যত অচল হয়ে পড়া এই জলপথটি এখন বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবাহিত হওয়া এই রুটটি বন্ধ থাকায় বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম ও মুদ্রাস্ফীতি আকাশচুম্বী হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, প্রণালিটি খুলে দেওয়া হলেও এর নেতিবাচক প্রভাব আরও কয়েক মাস স্থায়ী হতে পারে।

প্রণালিটি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান এখন সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী। তেহরান দাবি করছে, হরমুজ প্রণালির ওপর তাদের পূর্ণ সার্বভৌমত্ব ও নিয়ন্ত্রণ থাকতে হবে। এমনকি এই জলপথ ব্যবহারকারী জাহাজগুলোর কাছ থেকে 'ট্রানজিট ফি' আদায়ের পরিকল্পনাও করছে ইরান। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র এই দাবি নাকচ করে দিয়ে বলছে, হরমুজ একটি আন্তর্জাতিক জলপথ এবং এখানে বৈশ্বিক জাহাজ চলাচল অবাধ থাকতে হবে। যেকোনো মূল্যে এই রুটটি খোলা রাখাই ওয়াশিংটনের প্রধান লক্ষ্য।

আরও পড়ুন