২৩ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫:৫৪

শিরোনাম
আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে মন্তব্য তথ্য উপদেষ্টার নেপাল থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানি বাড়াতে যৌথ প্রকল্পের চিন্তা হরমুজ প্রণালি পেরিয়েছে এমভি বাংলার জয়যাত্রা, চার মাস পর স্বস্তিতে ৩১ বাংলাদেশি নাবিক আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ চার দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী প্রতিবেশী ভারতের সাথে 'ডিভোর্স' হতে পারে না: জিএম সিরাজ রাজধানীতে ফের আকস্মিক ভূমিকম্প! চীন সফরে ২৪টি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার আলোচনা
শিরোনাম
আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে মন্তব্য তথ্য উপদেষ্টার নেপাল থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানি বাড়াতে যৌথ প্রকল্পের চিন্তা হরমুজ প্রণালি পেরিয়েছে এমভি বাংলার জয়যাত্রা, চার মাস পর স্বস্তিতে ৩১ বাংলাদেশি নাবিক আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ চার দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী প্রতিবেশী ভারতের সাথে 'ডিভোর্স' হতে পারে না: জিএম সিরাজ রাজধানীতে ফের আকস্মিক ভূমিকম্প! চীন সফরে ২৪টি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার আলোচনা

সুপার এল নিনোর সতর্কতা, বৈশ্বিক আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তনের আশঙ্কা

সুপার এল নিনোর সতর্কতা, বৈশ্বিক আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তনের আশঙ্কা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৩ জুন, ২০২৬, ১৪:২৯

পশ্চিম ও মধ্য ইউরোপজুড়ে চলমান তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে নতুন সতর্কবার্তা দিয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। সংস্থাটি জানিয়েছে, প্রশান্ত মহাসাগরে ‘সুপার এল নিনো’ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, যা বৈশ্বিক আবহাওয়ায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

নাসার মতে, স্যাটেলাইট পর্যবেক্ষণ থেকে পাওয়া সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতার তথ্য বিশ্লেষণ করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়েছে। ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার সহযোগিতায় পরিচালিত সেন্টিনেল-৬ মাইকেল ফ্রেইলিচ স্যাটেলাইট ৮ জুন নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের কয়েকটি এলাকায় স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা শনাক্ত করে, যা শক্তিশালী এল নিনোর সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেয়।

সংস্থাটি ব্যাখ্যা করে, সমুদ্রের পানি গরম হলে তা প্রসারিত হয়, ফলে পানির উচ্চতা বেড়ে যায়। তাই সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ও তাপমাত্রা জলবায়ু পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়।

‘এল নিনো’ হলো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ু প্রক্রিয়া, যেখানে নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের পানির তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়। যখন এই প্রক্রিয়া শক্তিশালী আকার ধারণ করে, তখন তাকে ‘সুপার এল নিনো’ বলা হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সুপার এল নিনোর কারণে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে আবহাওয়ার বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি ইন্দোনেশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ায় খরার ঝুঁকি বাড়তে পারে। একইসঙ্গে ইউরোপসহ বিশ্বের বহু অঞ্চলে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকতে পারে।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) জানায়, এই পরিস্থিতির প্রভাবে উত্তর ও মধ্য আমেরিকা, ক্যারিবীয় অঞ্চল, ইউরোপ, উত্তর আফ্রিকা এবং এশিয়ার বড় অংশে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে।

সেন্টিনেল-৬ প্রকল্পের বিজ্ঞানী ডা. সেভেরিন ফুরনিয়ে বলেন, ১৯৯৭ সালের শক্তিশালী এল নিনোর সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির অনেক মিল পাওয়া যাচ্ছে। ওই সময়ের মতো এবারও বৈশ্বিকভাবে বড় ধরনের জলবায়ু প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সুপার এল নিনো শুধু তাপমাত্রা নয়, বৃষ্টিপাতের ধরনও পরিবর্তন করে। ফলে কোথাও অতিবৃষ্টি, কোথাও দীর্ঘ খরা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, অতীতে শক্তিশালী এল নিনোর প্রভাবে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে মারাত্মক খাদ্য সংকট ও দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছিল বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন