১৭ জুন ২০২৬, বুধবার, ১৯:১৬

শিরোনাম
চালের বাজার স্থিতিশীল, মজুতেও নেই ঘাটতি: বাণিজ্যমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ৭৭ দেশীয় প্রযুক্তিতে কোস্টগার্ডের অপারেশনাল সক্ষমতা বাড়াতে নতুন প্রকল্প দেশে প্রথমবার ফ্রি ট্রেড জোন গঠনের সিদ্ধান্ত, জানালেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব আজ বুধবার মৌলভীবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষ্যে বন্ধ থাকবে মৌলভীবাজারের ৯২ চা বাগান চলতি মাসে আরও ৪ কার্গো এলএনজি আমদানি করবে সরকার প্রতিশোধের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
শিরোনাম
চালের বাজার স্থিতিশীল, মজুতেও নেই ঘাটতি: বাণিজ্যমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ৭৭ দেশীয় প্রযুক্তিতে কোস্টগার্ডের অপারেশনাল সক্ষমতা বাড়াতে নতুন প্রকল্প দেশে প্রথমবার ফ্রি ট্রেড জোন গঠনের সিদ্ধান্ত, জানালেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব আজ বুধবার মৌলভীবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষ্যে বন্ধ থাকবে মৌলভীবাজারের ৯২ চা বাগান চলতি মাসে আরও ৪ কার্গো এলএনজি আমদানি করবে সরকার প্রতিশোধের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রশংসায় ভাসছেন সেনাপ্রধান

প্রশংসায় ভাসছেন সেনাপ্রধান

প্রতিফলন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১৯:২৫

একটি অনির্বাচিত সরকারের হাত থেকে দেশকে গণতন্ত্রায়নের পথে ফিরিয়ে আনতে এবং একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহাসিক ভূমিকা এখন দেশজুড়ে প্রশংসিত হচ্ছে। বিশেষ করে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সাহসী ও অবিচল নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও প্রশংসা প্রকাশ করছেন দেশের আপামর সচেতন মানুষ।

সংশ্লিষ্টদের মতে, ৫ আগস্ট ২০২৪-এর পরবর্তী সময়ে সুশাসন ও পরিবর্তনের যে স্বপ্ন সাধারণ মানুষ দেখেছিল, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তা পূরণে ব্যর্থ হয়ে মানুষের প্রত্যাশা পূরণে কালক্ষেপণ করছিলেন। রাজনৈতিক দলগুলোর রোডম্যাপের দাবি এড়িয়ে গিয়ে ড. ইউনূস ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানই প্রথম ১৮ মাসের মধ্যে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়ে গণতন্ত্রের পথ প্রশস্ত করেন। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে তখন এই বক্তব্যের বিরোধিতা করা হয়েছিল, কিন্তু সেনাপ্রধান তাঁর লক্ষ্যে অটল থাকেন।

গত বছরের মে মাসে সেনাপ্রধানের নেতৃত্বে তিন বাহিনীর প্রধানরা যমুনায় গিয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জোর দাবি জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতেই ড. ইউনূস লন্ডনে তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক ও নির্বাচনী সমঝোতায় যেতে বাধ্য হন। সমঝোতা পরবর্তী সময়েও জামায়াত-এনসিপি’র নির্বাচনবিরোধী ভূমিকা এবং নানা গুজব ও বিভ্রান্তি ছড়িয়ে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হয়। এমনকি তফসিল ঘোষণার পর ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে দেশ উত্তাল হয়ে উঠলেও সেনাবাহিনী অত্যন্ত ধৈর্য ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবেলা করে।

সকল জল্পনা-কল্পনা ও বড় ধরনের সহিংসতার আশঙ্কা মিথ্যা প্রমাণ করে শেষ পর্যন্ত একটি ঐতিহাসিক ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, অতীতে অনেক সময় সেনাবাহিনীর ভূমিকা গণতন্ত্রবিরোধী দেখা গেলেও, জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান নতুন নজির স্থাপন করেছেন। এই প্রক্রিয়ায় বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান এবং নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসানও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

আরও পড়ুন