নকল করতে না পারায় কেন্দ্রে হামলা চালায় এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১ জুলাই, ২০২৬, ২০:০৫
আইসিটি প্রশ্ন কঠিন হওয়ার অভিযোগে ভোলার চরফ্যাশনে ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ কেন্দ্র ভাঙচুর করেছে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে পুলিশ।
শনিবার দুপুরে পরীক্ষা শেষে এই হামলা হয়। হামলায় আহত হয়েছে কমপক্ষে ১৫ জন। এদের মধ্যে কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হুমায়ুন শিকদার কবির ও ৬নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর জাহিদুল ইসলাম রাসেল রয়েছেন।
শিক্ষার্থী সাধারণ পথচারীরাও আহত হন। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কলেজের গেইট, সাইনবোর্ড, দরজা জানালা ভাংচুর করে শিক্ষার্থীরা।
পরীক্ষায় অসধুপায় অবলম্বন করতে না দেওয়ায় হামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও কেন্দ্র সচিব মহিউদ্দিন বাচ্চু।
তিনি আরও জানান, এক দিকে প্রশ্নপত্র কঠিন হয়েছে। অপরদিকে কক্ষ পরির্দশকরা যথাযথ দায়িত্ব পালন করায় পরীক্ষার্থীরা দেখার সুযোগ পায়নি। যে কারণে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার শুরুর পর থেকে কক্ষ পরির্দশকদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করতে থাকে। পরীক্ষা শেষে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। গেইট ভেঙে ফেলে। লোহার পাইপ নিয়ে পরীক্ষা পরিচালনা কক্ষে হামলা করে। শিক্ষক কক্ষে হামলা করে। হামলাকারীদের মধ্যে ৪/৫শ শিক্ষার্থী ও বহিরাগতরা ছিল।
জানা যায় ওই কেন্দ্রে সরকারি চরফ্যাশন কলেজের ৭৮৪ জন শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিচ্ছিল। শনিবার ছিল এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের তথ্য ও যোগাযোগ ও প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে পরীক্ষা।
পরীক্ষার্থীরা জানায়, প্রশ্নপত্র কঠিন হয়েছে। এক দিকে কমন পড়েনি । অপরদিকে পরীক্ষার হলের কক্ষ পরিদর্শকরা রূঢ় আচরণ করেন। এতে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুমানা আফরোজ জানান, খবর শুনে থানার অফিসার ইনচার্জকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া নির্দেশ দেওয়া হয়।
চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মাহমুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া জানান, একদল পরীক্ষার্থী চরফ্যাশন ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্রে হামলা চালায়। খবর শুনে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে কয়েক রাউন্ড টিআরসেল নিক্ষেপ করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
প্রত্যক্ষদর্শী সোহেব হোসেন জানান, দুপুর সোয়া ১টার দিকে কয়েকজন শিক্ষার্থী কলেজ গেইটের সামনে অবস্থান নিয়ে ভুয়া ভুয়া ম্লোগান দিতে থাকে। পরে উত্তর ও পশ্চিম পাশের দুটি গেই ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে পরীক্ষার্থীরা। এ সময় শিক্ষকরা আতঙ্কিত হয়ে একটি কক্ষে আশ্রয় নেয়। পরীক্ষার্থীরা লাঠিসোটা নিয়ে তাদের তাড়া করে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ দ্রুত ছুটে এসে প্রশাসনের সঙ্গে পরিস্থিতি সামাল দিতে শিক্ষার্থীদের সরে যেতে বলে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসারের তত্বাবধানে পুলিশ পরীক্ষার উত্তরপত্র পোষ্ট অফিসে জমা দেয়।
ওসি জানান পুলিশ টহল অব্যাহত রাখা হয়েছে। পরীক্ষা কমিটি অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীদের উসকে দেওয়া হয়েছে।
প্রতিফলন/টিএস
আরও পড়ুন
- • সামরিক সুবিধা নিশ্চিত হলেই আলোচনায় যাবে ইরান: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- • জ্বালানি আমদানির বাড়তি ব্যয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচও বেড়েছে :জ্বালানিমন্ত্রী
- • বিশ্বকাপের উন্মাদনায় উৎপাদনশীলতা কমে বিশ্বে ১৭০০ কোটি ডলারের ক্ষতি
- • উৎসে কর তদারকিতে মাঠে এনবিআরের বিশেষ টিম, জারি ৫ নির্দেশনা
- • ককরোচ পার্টির ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচিতে সংঘর্ষ, উত্তপ্ত দিল্লি
- • সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের গুলশানের ফ্ল্যাটে দুদকের দ্বিতীয় দিনের অভিযান
- • আবারও গ্রেফতার রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ করিম
- • মালয়েশিয়া-থাইল্যান্ড সীমান্তে বিশেষ অভিযান, গ্রেপ্তার ৭৩ বাংলাদেশিসহ ৬৪১ জন
- • ‘চোরের দলের খেলা কবে’ লিখতেই আসছে আর্জেন্টিনার তথ্য!
- • সরকার কোনো উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না: প্রধানমন্ত্রী
- • কাতারের সাবেক আমিরের নামে ঢাকায় সড়কের নামকরণের সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর
- • বরিশালে সাংগঠনিক সভায় যে যে নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী
- • আগামী ৫ দিন ভারী বর্ষণের আশঙ্কা: আবহাওয়া অধিদপ্তর
- • ১০ হাজার পুলিশ নিয়োগের পরিকল্পনা করছে সরকার
- • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের বৈঠক
- • হঠাৎ কাতার সফরে গেলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- • বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
- • গাজায় ১ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে ইইউ
