২৩ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ১২:২৮

শিরোনাম
নেপাল থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানি বাড়াতে যৌথ প্রকল্পের চিন্তা হরমুজ প্রণালি পেরিয়েছে এমভি বাংলার জয়যাত্রা, চার মাস পর স্বস্তিতে ৩১ বাংলাদেশি নাবিক আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ চার দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী প্রতিবেশী ভারতের সাথে 'ডিভোর্স' হতে পারে না: জিএম সিরাজ রাজধানীতে ফের আকস্মিক ভূমিকম্প! চীন সফরে ২৪টি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার আলোচনা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে তুরস্কের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ
শিরোনাম
নেপাল থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানি বাড়াতে যৌথ প্রকল্পের চিন্তা হরমুজ প্রণালি পেরিয়েছে এমভি বাংলার জয়যাত্রা, চার মাস পর স্বস্তিতে ৩১ বাংলাদেশি নাবিক আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ চার দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী প্রতিবেশী ভারতের সাথে 'ডিভোর্স' হতে পারে না: জিএম সিরাজ রাজধানীতে ফের আকস্মিক ভূমিকম্প! চীন সফরে ২৪টি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার আলোচনা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে তুরস্কের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

যুদ্ধবিরতি, নিষেধাজ্ঞা শিথিল ও পারমাণবিক আলোচনায় নতুন অধ্যায়

যুদ্ধবিরতি, নিষেধাজ্ঞা শিথিল ও পারমাণবিক আলোচনায় নতুন অধ্যায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮ জুন, ২০২৬, ১০:২৯

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান বহুল আলোচিত একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে। দুই দেশের প্রতিনিধিরা সরাসরি উপস্থিত না হয়ে ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে ইলেকট্রনিক উপায়ে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের মধ্যকার ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক’ শিরোনামের এ নথিতে হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা, ইরানের ওপর আরোপিত কিছু আর্থিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা এবং ভবিষ্যতে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার পথ তৈরি করার বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

চুক্তিটি জনসমক্ষে প্রকাশ না করায় সমালোচনার মুখে পড়েছিল দুই দেশ। পরে যুক্তরাষ্ট্র নথিটি প্রকাশ করে।

একজন মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, এই সমঝোতা হরমুজ প্রণালি দ্রুত খুলে দেওয়ার পাশাপাশি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অগ্রগতি অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি করবে। তিনি জানান, ইরান চুক্তির শর্ত মেনে চললে দেশটির জন্য অর্থনৈতিক সুবিধা ও নিষেধাজ্ঞা শিথিলের পথ আরও উন্মুক্ত হবে।

আগামী শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর চূড়ান্ত চুক্তির লক্ষ্যে ৬০ দিনের আলোচনার সময়সীমা শুরু হবে।

সমঝোতা স্মারকের মূল বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে—লেবাননসহ বিভিন্ন ফ্রন্টে সামরিক অভিযান বন্ধ করা, একে অপরের সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান প্রদর্শন, হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।

এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও উন্নয়নে আঞ্চলিক অংশীদারদের সহযোগিতায় প্রায় ৩০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি পরিকল্পনা প্রণয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। চূড়ান্ত চুক্তির অংশ হিসেবে ধাপে ধাপে ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়েও আলোচনা হবে।

পারমাণবিক ইস্যুতে ইরান পুনরায় নিশ্চিত করেছে যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা সংগ্রহ করবে না। উভয় দেশ আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) তত্ত্বাবধানে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ব্যবস্থাপনা ও ভবিষ্যৎ পারমাণবিক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যেতে সম্মত হয়েছে।

চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান পরিস্থিতি বজায় রাখতে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে। এ সময়ে ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচির বর্তমান অবস্থা ধরে রাখবে এবং যুক্তরাষ্ট্র নতুন কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করবে না।

বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিনের উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্কের মধ্যে এই সমঝোতা মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

আরও পড়ুন