২৩ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ০১:৩২

শিরোনাম
চার দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী প্রতিবেশী ভারতের সাথে 'ডিভোর্স' হতে পারে না: জিএম সিরাজ চীন সফরে ২৪টি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার আলোচনা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে তুরস্কের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খোলার সম্ভাবনা কম ঢাকায় রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের ব্যাখ্যা দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা প্রধানমন্ত্রীর
শিরোনাম
চার দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী প্রতিবেশী ভারতের সাথে 'ডিভোর্স' হতে পারে না: জিএম সিরাজ চীন সফরে ২৪টি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার আলোচনা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে তুরস্কের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খোলার সম্ভাবনা কম ঢাকায় রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের ব্যাখ্যা দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা প্রধানমন্ত্রীর

সেনাপ্রধানের সঙ্গে ডিএসসিইউয়ের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

সেনাপ্রধানের সঙ্গে ডিএসসিইউয়ের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ০০:২৯

ইন্দো-প্যাসিফিক ডিফেন্স সিকিউরিটি কো-অপারেশন ইউনিভার্সিটির (ডিএসসিইউ) রিজিওনাল প্রোগ্রাম লিড ও সহকারী অধ্যাপক মি. মাইকেল রেমবোল্ডের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সেনা সদরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

আইএসপিআর সূত্র জানায়, সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষের মধ্যে শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

বিশেষ করে ইনস্টিটিউশনাল ক্যাপাসিটি বিল্ডিং (আইসিবি) বা প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

আলোচনায় আধুনিক প্রশিক্ষণ, জ্ঞান বিনিময় এবং যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর দক্ষতা ও পেশাগত মান আরো উন্নত করার সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করা হয়। এই ধরনের সহযোগিতা ভবিষ্যতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

উল্লেখ্য, ডিএসসিইউ হলো মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের প্রধান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

যা নিরাপত্তা সহযোগিতা, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং জনশক্তি উন্নয়নের মাধ্যমে ইন্দো-প্যাসিফিকসহ বিশ্বব্যাপী অংশীদারদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এটি এফএমএস (ফরেন মিলিটারি সেলস), লজিস্টিকস এবং নীতি-নির্ধারণে প্রশিক্ষণ প্রদান করে। যা এ অঞ্চলে কৌশলগত অংশীদারি ও নিরাপত্তা জোরদার করতে কাজ করে।

আরও পড়ুন