২৩ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ০১:৫৫

শিরোনাম
চার দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী প্রতিবেশী ভারতের সাথে 'ডিভোর্স' হতে পারে না: জিএম সিরাজ চীন সফরে ২৪টি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার আলোচনা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে তুরস্কের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খোলার সম্ভাবনা কম ঢাকায় রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের ব্যাখ্যা দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা প্রধানমন্ত্রীর
শিরোনাম
চার দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী প্রতিবেশী ভারতের সাথে 'ডিভোর্স' হতে পারে না: জিএম সিরাজ চীন সফরে ২৪টি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার আলোচনা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে তুরস্কের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খোলার সম্ভাবনা কম ঢাকায় রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের ব্যাখ্যা দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা প্রধানমন্ত্রীর

মতিঝিল আইডিয়ালের উপসহকারী ও তার স্ত্রীর স্থাবর সম্পদ জব্দ

মতিঝিল আইডিয়ালের উপসহকারী ও তার স্ত্রীর স্থাবর সম্পদ জব্দ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৫ মার্চ, ২০২৬, ১৩:১৮

দুর্নীতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের উপসহকারী প্রকৌশলী আতিকুর রহমান খান ও তার স্ত্রী নাহিদা ইসলাম নিপার নামে থাকা বিভিন্ন স্থাবর সম্পদ জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত–এর বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ দুদকের করা পৃথক দুটি আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন।

আদালতের আদেশ অনুযায়ী, আতিকুর রহমান খানের নামে থাকা বনশ্রী ও রামপুরা এলাকার দুটি ফ্ল্যাট ও জমি, পাশাপাশি গাজীপুরের কালীগঞ্জে অবস্থিত প্রায় ৯৫২ শতাংশ জমি জব্দ করা হয়েছে। অন্যদিকে তার স্ত্রী নাহিদা ইসলাম নিপার নামে বাড্ডা এলাকায় থাকা ছয়তলা একটি বাড়ি ও প্রায় সাড়ে তিন কাঠা জমিও জব্দের আওতায় আনা হয়েছে।

দুদকের উপপরিচালক মানসী বিশ্বাস আদালতে করা আবেদনে উল্লেখ করেন, আতিকুর রহমান তার জমা দেওয়া সম্পদ বিবরণীতে প্রায় ১ কোটি ৭৪ লাখ ৫৩ হাজার ৩৫ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। একই সঙ্গে তিনি মিথ্যা তথ্য প্রদান করে নিজের বৈধ আয়ের উৎসের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ প্রায় ২ কোটি ৩৫ লাখ ১ হাজার ১৩৫ টাকার সম্পদ অবৈধভাবে অর্জন ও নিজের দখলে রেখেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া তদন্তে উঠে এসেছে, তার নামে থাকা ৪৭টি ব্যাংক হিসাবে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত প্রায় ৭ কোটি ২৬ লাখ ৩৭ হাজার ৪৯ টাকার অর্থের প্রকৃত উৎস ও অবস্থান গোপন করা হয়েছে। এসব অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দুদকের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে, যা বর্তমানে তদন্তাধীন।

আবেদনে আরও বলা হয়, তদন্ত চলাকালে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে আতিকুর রহমান তার মালিকানাধীন বা স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চেষ্টা করছেন। এ কারণে সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে তার এবং তার স্ত্রীর নামে থাকা সম্পত্তি জব্দ করা প্রয়োজন বলে দুদক আদালতকে জানায়।
 

আরও পড়ুন