১৭ জুন ২০২৬, বুধবার, ১০:৫৮

শিরোনাম
আজ বুধবার মৌলভীবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষ্যে বন্ধ থাকবে মৌলভীবাজারের ৯২ চা বাগান চলতি মাসে আরও ৪ কার্গো এলএনজি আমদানি করবে সরকার প্রতিশোধের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মহররমের চাঁদ দেখা গেছে, ২৬ জুন আশুরা ফ্যামেলি কার্ড বিতরণে মৌলভীবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এমপিদের কক্ষ নির্মাণে ৬ লাখ বরাদ্দ নিয়ম না মানলে সংসদ চলবে না: স্পিকার
শিরোনাম
আজ বুধবার মৌলভীবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষ্যে বন্ধ থাকবে মৌলভীবাজারের ৯২ চা বাগান চলতি মাসে আরও ৪ কার্গো এলএনজি আমদানি করবে সরকার প্রতিশোধের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মহররমের চাঁদ দেখা গেছে, ২৬ জুন আশুরা ফ্যামেলি কার্ড বিতরণে মৌলভীবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এমপিদের কক্ষ নির্মাণে ৬ লাখ বরাদ্দ নিয়ম না মানলে সংসদ চলবে না: স্পিকার

ইরানে বিনিয়োগে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিলের পরিকল্পনা

ইরানে বিনিয়োগে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিলের পরিকল্পনা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭ জুন, ২০২৬, ০৯:৪১

যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনতে ইরানের জন্য ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি বেসরকারি বিনিয়োগ তহবিল গঠনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনায় থাকা একটি কাঠামোগত চুক্তির অংশ হিসেবে এই তহবিলের প্রস্তাব এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। তহবিলের অর্ধেকের বেশি অর্থের প্রতিশ্রুতিও ইতিমধ্যে পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, আগামী শুক্রবার দুই দেশের মধ্যে একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে। আলোচনায় থাকা এই তহবিলকে চূড়ান্ত সমঝোতার পথে উভয় পক্ষের জন্য একটি অর্থনৈতিক প্রণোদনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রস্তাবিত তহবিলটি সরকারি অনুদান বা যুদ্ধক্ষতিপূরণ নয়। বরং এটি একটি বেসরকারি বিনিয়োগভিত্তিক তহবিল, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র, উপসাগরীয় আরব দেশ, এশিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা ও আফ্রিকার বিভিন্ন কোম্পানি অর্থায়ন করতে আগ্রহ দেখিয়েছে। জ্বালানি, লজিস্টিকস, উৎপাদন ও পরিবহন খাতে বিনিয়োগের জন্য এ অর্থ ব্যবহার করা হতে পারে।

আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর ভাষ্য, যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির জন্য শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ৪০০ বিলিয়ন ডলার দাবি করেছিল তেহরান। তবে ওয়াশিংটন সেই দাবি মেনে নেয়নি। পরে পুনর্গঠন ও উন্নয়ন তহবিলের ধারণা সামনে আসে। এ তহবিলের আওতায় ইস্পাত কারখানা, তেল শোধনাগার, বিমানবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেওয়া হতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিনের আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে বৈশ্বিক বিনিয়োগ থেকে অনেকটাই বিচ্ছিন্ন রয়েছে ইরান। অথচ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত থাকা দেশটিতে জ্বালানি, খনিজ, কৃষি ও পর্যটন খাতে বড় ধরনের সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে তহবিলটি কার্যকর হওয়ার আগে বেশ কয়েকটি শর্ত পূরণ করতে হবে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, ইরানকে পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করা, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত অপসারণ এবং আন্তর্জাতিক পরিদর্শনের শর্ত মানতে হবে। এসব শর্ত পূরণ সাপেক্ষেই দেশটি তহবিলের সুবিধা পেতে পারে।

তহবিলের পরিচালন কাঠামো ও অর্থ ব্যবস্থাপনার বিস্তারিত এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আগামী ৬০ দিনের মধ্যে পারমাণবিক কর্মসূচি, নিষেধাজ্ঞা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে দুই পক্ষের প্রতিনিধিদের।

আরও পড়ুন