যুদ্ধবিরতির জন্য মরিয়া ট্রাম্প, ইসলামাবাদে চূড়ান্ত আলোচনার প্রস্তুতি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১৮:১৯
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ দাবি করেছিলেন, ইরান যুদ্ধবিরতির জন্য ‘কাকুতি-মিনতি’ করছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও বারবার বলেছেন, ইরানের পক্ষ থেকে বারবার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেয়া হচ্ছে। কিন্তু নিয়ন্ত্রণহীন যুদ্ধে যতি টানতে যুক্তরাষ্ট্রই উল্টো মরিয়া উঠেছিল। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নিয়ে কাজ করতে মিত্রদেশ পাকিস্তানকে চাপও দিয়েছিল দেশটি।
শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর প্রধান আসিম মুনিরের নেতৃত্বে যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টা পূর্ণতা পায়। যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও ইসরায়েল দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। এর কয়েক ঘণ্টা আগেই ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন, ইরান তার শর্ত না মানলে তিনি দেশটির ‘পুরো সভ্যতা ধ্বংস করে দেবেন’।
এই বিষয়ে অবগত অন্তত পাঁচটি সূত্র ফিনান্সিয়াল টাইমসকে জানায়, তেলের দাম দ্রুত বেড়ে যাওয়া এবং ইরানি সরকারের স্থিতিশীলতায় বিস্মিত ট্রাম্প গত ২১ মার্চ থেকে যুদ্ধবিরতির চেষ্টা করছিলেন। সেদিনই যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ হারানোর ‘প্রমাণ’ হিসেবে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ‘ধ্বংস করার’ হুমকি দেন।
যুদ্ধবিরতির জন্য পাকিস্তানকে মধ্যস্থতার দায়িত্ব দেয়ার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের যুক্তি ছিল, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ একটি প্রতিবেশী রাষ্ট্রের মাধ্যমে প্রস্তাবটি পৌঁছালে ইরান তা গ্রহণে বেশি আগ্রহী হবে। আর পাকিস্তান পুরো সংঘাতে নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখায় তাদের গ্রহণযোগ্যতা বেশি হবে বলে ধারণা করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে আসিম মুনিরের আলাপের পর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক মাধ্যমে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবটি প্রকাশ করেন। তবে পাকিস্তানের উদ্যোগ হিসেবে উপস্থাপিত এই ঘোষণায় তিনি ভুলবশত একটি শিরোনাম যুক্ত করেন, ‘ড্রাফট-পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর এক্স বার্তা’।
পরে অবশ্য বার্তার এই অংশটি বাদ দেয়া হয়। তবে এতে নেটিজেনদের বুঝতে বাকি থাকে না যে, যুক্তরাষ্ট্রই আসলে বার্তাটি পাকিস্তানের মাধ্যমে প্রকাশ করিয়েছে।
সাধারণত, মার্কিন-ইরানি সংঘাতে এর আগে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতার, কুয়েত, ওমানের মতো দেশগুলো মধ্যস্থতা করত। তবে এবারের যুদ্ধে ইরান এই দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও কিছু জ্বালানি স্থাপনায় হামলা চালানোয় মধ্যস্থতাকারী খুঁজে পাওয়া দুষ্কর হয়ে ওঠে যুক্তরাষ্ট্র। পরে তুরস্ক, মিশর এবং পাকিস্তানের কাঁধে সেই দায়িত্ব চাপিয়ে দেয়া হয়। এর মধ্যে পাকিস্তানই শেষ পর্যন্ত ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকরে বড় ভূমিকা পালন করে।
আরও পড়ুন
- • জার্মানিকে হারানোয় ইকুয়েডরে জাতীয় ছুটি ঘোষণা
- • ভিপি-জিএস ছাড়াই বসছে জাবির সিনেট অধিবেশন
- • টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে যেসব জেলায়
- • হরমুজে হামলার পর আবার বাড়ল তেলের দাম
- • রোনালদোকেই বিশ্বকাপ জেতার ভবিষ্যদ্বাণী ‘কালো জাদুকরের’
- • আয়ারল্যান্ডের ঐতিহাসিক জয়: ভারতকে হারিয়ে লিখল নতুন ইতিহাস
- • তাজিয়া মিছিলে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, তদন্তে পুলিশ
- • গোলবন্যায় ভাঙল বিশ্বকাপের সর্বকালের রেকর্ড
- • মালয়েশিয়ার ২ হাজার বন্দিদের ফেরানোর আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
- • বন্ধ কারখানাগুলোয় বিদেশি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
- • মালয়েশিয়ার পথে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী
- • বগুড়ার ৩ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- • ফের হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দিল ইরান
- • যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের বৈঠকে সুইজারল্যান্ডে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান
- • ১৭ বছর পর ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ
- • ম্যাচ উপভোগ করতে ঢাবিতে আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত
- • শনিবারের এইচএসসি পরীক্ষা সম্পর্কিত নতুন নির্দেশনা
- • বিতর্কের মধ্যেই কাতারের উপহার দেওয়া বিলাসবহুল বিমান উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
