২৭ জুন ২০২৬, শনিবার, ০০:৫৪

শিরোনাম
কূটনৈতিক সফর শেষে দেশে ফিরলেন তারেক রহমান সফর শেষে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী নিত্যপণ্যের দামে ক্রেতাদের নাভিশ্বাস চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ১৭ সমঝোতা স্মারক সই সর্বোচ্চ জাকাত সংগ্রহকারী নির্বাচিত হলেন ডিসি ফরিদা খানম এনসিপিসহ ৭ দলকে ইসির শোকজ আশুরার শিক্ষা শান্তি ও ন্যায়ের পথ দেখায়: প্রধানমন্ত্রী ১ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা সরকারের: অর্থমন্ত্রী
শিরোনাম
কূটনৈতিক সফর শেষে দেশে ফিরলেন তারেক রহমান সফর শেষে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী নিত্যপণ্যের দামে ক্রেতাদের নাভিশ্বাস চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ১৭ সমঝোতা স্মারক সই সর্বোচ্চ জাকাত সংগ্রহকারী নির্বাচিত হলেন ডিসি ফরিদা খানম এনসিপিসহ ৭ দলকে ইসির শোকজ আশুরার শিক্ষা শান্তি ও ন্যায়ের পথ দেখায়: প্রধানমন্ত্রী ১ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা সরকারের: অর্থমন্ত্রী

চাপের মুখে সমঝোতায় ট্রাম্প, কেন যুদ্ধবিরতির পথে হাঁটল যুক্তরাষ্ট্র?

চাপের মুখে সমঝোতায় ট্রাম্প, কেন যুদ্ধবিরতির পথে হাঁটল যুক্তরাষ্ট্র?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০ জুন, ২০২৬, ১১:১৪

ইরানের সঙ্গে সংঘাতের শুরুতে কঠোর অবস্থান নিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তার দাবি ছিল, তেহরানের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ ছাড়া কোনো ধরনের সমঝোতা সম্ভব নয়। তবে কয়েক মাসের সংঘাতের পর শেষ পর্যন্ত আলোচনার টেবিলে বসতে বাধ্য হয়েছে ওয়াশিংটন।

বিশ্লেষকদের মতে, অর্থনৈতিক চাপ, জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা, যুদ্ধের ক্রমবর্ধমান ব্যয় এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক চাপই ট্রাম্প প্রশাসনকে সমঝোতার পথে হাঁটতে বাধ্য করেছে।

সবচেয়ে বড় উদ্বেগ ছিল বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার নিয়ে। সংঘাতের জেরে ইরান হরমুজ প্রণালিতে তেল সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি করে। এতে বিশ্ববাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়। অর্থনীতিবিদদের মতে, তেলের মূল্যবৃদ্ধি শুধু বৈশ্বিক অর্থনীতিই নয়, যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বাজারেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারত।

এদিকে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয়ও। বিভিন্ন বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ইরান সংশ্লিষ্ট সামরিক ও অপারেশনাল কর্মকাণ্ডে ইতোমধ্যে কয়েক হাজার কোটি ডলার ব্যয় হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা ছিল, সংঘাত দীর্ঘ হলে তা আফগানিস্তান বা ইরাক যুদ্ধের মতো ব্যয়বহুল ও দীর্ঘস্থায়ী সংকটে রূপ নিতে পারে।

আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকেও যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ বাড়ছিল। ইউরোপীয় মিত্র দেশগুলো দ্রুত উত্তেজনা কমিয়ে কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষে অবস্থান নেয়। তাদের মতে, যুদ্ধ দীর্ঘ হলে বৈশ্বিক বাণিজ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

এছাড়া ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা পদক্ষেপও ওয়াশিংটনের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে ওঠে। বিশ্লেষকদের ধারণা, সংঘাত অব্যাহত থাকলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, জ্বালানি অবকাঠামো এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা আরও বড় ঝুঁকির মুখে পড়তে পারত।

সব দিক বিবেচনায় নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন উপলব্ধি করে, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে সম্ভাব্য লাভের চেয়ে ক্ষতির পরিমাণই বেশি হবে। ফলে শেষ পর্যন্ত সামরিক সমাধানের পরিবর্তে কূটনৈতিক পথ বেছে নিয়ে সমঝোতার দিকে এগিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র।

আরও পড়ুন