০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৬:৫১

শিরোনাম
আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রান্তিক গ্রাহকদের বিবেচিনায় রেখে বিদ্যুৎমূল্য পুনঃবিবেচনার অনুরোধ জানায় বিদ্যুৎ বিভাগ হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর প্রাণহানি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো অত্যাধুনিক ফ্লোটিং ক্রেন ‘বিএনএফসি বলীয়ান’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু
শিরোনাম
আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রান্তিক গ্রাহকদের বিবেচিনায় রেখে বিদ্যুৎমূল্য পুনঃবিবেচনার অনুরোধ জানায় বিদ্যুৎ বিভাগ হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর প্রাণহানি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো অত্যাধুনিক ফ্লোটিং ক্রেন ‘বিএনএফসি বলীয়ান’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু

অ্যালার্ম বারবার স্নুজ করলে শরীরে যে প্রভাব পারে

অ্যালার্ম বারবার স্নুজ করলে শরীরে যে প্রভাব পারে

স্বাস্থ্য ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৫ মার্চ, ২০২৬, ০১:২৩

আমাদের ঘুম কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হয়। যখন আপনি প্রথমবার অ্যালার্ম শুনেও আবার ঘুমিয়ে পড়েন, তখন আপনার মস্তিষ্ক ঘুমের একটি নতুন চক্র শুরু করে। কিন্তু মাত্র কয়েক মিনিট পরই যখন আবার অ্যালার্ম বাজে, তখন সেই চক্রটি মাঝপথেই ভেঙে যায়।

এর ফলে যা হয় :
১। সারা দিন ক্লান্তি : মাঝপথে ঘুম ভেঙে যাওয়ার কারণে দিনভর আপনার মেজাজ খিটখিটে থাকতে পারে এবং শরীরে ক্লান্তি অনুভূত হয়।
২। শরীরের ঘড়ি বা সার্কাডিয়ান রিদম নষ্ট হওয়া : আমাদের শরীরের ভেতর একটি প্রাকৃতিক ঘড়ি আছে। বারবার ঘুমানো আর জাগার কারণে এই ঘড়িটি বিভ্রান্ত হয়ে যায়। ফলে রাতে সময়মতো ঘুম আসতে চায় না।
৩। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া : পর্যাপ্ত ও নিরবচ্ছিন্ন ঘুমের অভাবে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে, যা দীর্ঘমেয়াদে হৃদরোগ বা উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ায়।

‘স্নুজ’ বোতাম টেপার পেছনে কিছু কারণ থাকতে পারে :

১। দেরিতে ঘুমানো : আপনি যদি রাতে পর্যাপ্ত (৭-৮ ঘণ্টা) না ঘুমান, তবে সকালে শরীর আরো ঘুম চাইবেই।
২। ব্যায়ামের অভাব : অলস জীবনযাপন করলে ঘুমের গভীরতা কম হয়।
৩। শোবার ঘরের পরিবেশ : ঘর যদি খুব বেশি গরম বা শব্দবহুল হয়, তবে ঘুমের মান খারাপ হয়।

অ্যালার্ম বাজার সাথে সাথে বিছানা ছাড়ার অভ্যাস করা কঠিন, কিন্তু অসম্ভব নয়। 

অ্যালার্ম ঘড়ি দূরে রাখুন : ফোন বা ঘড়িটি হাতের কাছে না রেখে ঘরের এমন এক কোণে রাখুন, যাতে সেটি বন্ধ করতে আপনাকে বিছানা থেকে উঠতেই হয়।

নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানোর অভ্যাস : প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমানো এবং ঘুম থেকে ওঠার চেষ্টা করুন। এতে আপনার শরীরের ভেতরকার ঘড়িটি সেট হয়ে যাবে।

দিনের আলো গায়ে লাগানো : ঘুম থেকে উঠেই জানালার পর্দা খুলে দিন। সূর্যের আলো মস্তিষ্ককে সজাগ করতে সাহায্য করে।

বিছানা ছাড়ুন দ্রুত : ঘুম ভাঙার পর অলসতা করে শুয়ে না থেকে সোজা উঠে পড়ুন। কয়েক মিনিটের মধ্যেই দেখবেন আপনার জড়তা কেটে গেছে।

মনে রাখা জরুরি যে, অ্যালার্ম ছাড়া নিজে নিজেই ঘুম থেকে ওঠা হলো সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর উপায়। শরীরকে সেই অভ্যাসে নিয়ে আসতে পারলে আপনি প্রতিদিন আরো বেশি সতেজ ও কর্মক্ষম অনুভব করবেন।

আরও পড়ুন