০৫ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ০২:১৩

শিরোনাম
পদোন্নতিতে বৈষম্যের অভিযোগে অবসরে যাচ্ছেন সিআইডি প্রধান কৃষিকে জলবায়ু-সহিষ্ণু করতে সমন্বিত পরিকল্পনার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের পুরোনো দাম বহাল বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার
শিরোনাম
পদোন্নতিতে বৈষম্যের অভিযোগে অবসরে যাচ্ছেন সিআইডি প্রধান কৃষিকে জলবায়ু-সহিষ্ণু করতে সমন্বিত পরিকল্পনার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের পুরোনো দাম বহাল বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার

প্রশংসায় ভাসছেন সেনাপ্রধান

প্রশংসায় ভাসছেন সেনাপ্রধান

প্রতিফলন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১৯:২৫

একটি অনির্বাচিত সরকারের হাত থেকে দেশকে গণতন্ত্রায়নের পথে ফিরিয়ে আনতে এবং একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহাসিক ভূমিকা এখন দেশজুড়ে প্রশংসিত হচ্ছে। বিশেষ করে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সাহসী ও অবিচল নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও প্রশংসা প্রকাশ করছেন দেশের আপামর সচেতন মানুষ।

সংশ্লিষ্টদের মতে, ৫ আগস্ট ২০২৪-এর পরবর্তী সময়ে সুশাসন ও পরিবর্তনের যে স্বপ্ন সাধারণ মানুষ দেখেছিল, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তা পূরণে ব্যর্থ হয়ে মানুষের প্রত্যাশা পূরণে কালক্ষেপণ করছিলেন। রাজনৈতিক দলগুলোর রোডম্যাপের দাবি এড়িয়ে গিয়ে ড. ইউনূস ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানই প্রথম ১৮ মাসের মধ্যে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়ে গণতন্ত্রের পথ প্রশস্ত করেন। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে তখন এই বক্তব্যের বিরোধিতা করা হয়েছিল, কিন্তু সেনাপ্রধান তাঁর লক্ষ্যে অটল থাকেন।

গত বছরের মে মাসে সেনাপ্রধানের নেতৃত্বে তিন বাহিনীর প্রধানরা যমুনায় গিয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জোর দাবি জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতেই ড. ইউনূস লন্ডনে তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক ও নির্বাচনী সমঝোতায় যেতে বাধ্য হন। সমঝোতা পরবর্তী সময়েও জামায়াত-এনসিপি’র নির্বাচনবিরোধী ভূমিকা এবং নানা গুজব ও বিভ্রান্তি ছড়িয়ে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হয়। এমনকি তফসিল ঘোষণার পর ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে দেশ উত্তাল হয়ে উঠলেও সেনাবাহিনী অত্যন্ত ধৈর্য ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবেলা করে।

সকল জল্পনা-কল্পনা ও বড় ধরনের সহিংসতার আশঙ্কা মিথ্যা প্রমাণ করে শেষ পর্যন্ত একটি ঐতিহাসিক ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, অতীতে অনেক সময় সেনাবাহিনীর ভূমিকা গণতন্ত্রবিরোধী দেখা গেলেও, জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান নতুন নজির স্থাপন করেছেন। এই প্রক্রিয়ায় বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান এবং নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসানও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

আরও পড়ুন