২১ জুন ২০২৬, রবিবার, ১৪:০০

শিরোনাম
চলতি বছরের শেষে শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন: বিমানমন্ত্রী প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় বড় পরিবর্তন আনছে সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ, প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বগুড়ার ৩ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রোববার মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, এরপর চীন সফর বন্ধ কারখানাগুলোয় বিদেশি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সালমান শাহ হত্যা মামলার বিচারের দাবিতে ভক্তদের মানববন্ধন যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বাজি ধরলে কখনো পস্তাতে হবে না: রাষ্ট্রদূত
শিরোনাম
চলতি বছরের শেষে শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন: বিমানমন্ত্রী প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় বড় পরিবর্তন আনছে সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ, প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বগুড়ার ৩ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রোববার মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, এরপর চীন সফর বন্ধ কারখানাগুলোয় বিদেশি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সালমান শাহ হত্যা মামলার বিচারের দাবিতে ভক্তদের মানববন্ধন যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বাজি ধরলে কখনো পস্তাতে হবে না: রাষ্ট্রদূত

সরকার ২০০ কোটি ডলার ঋণ নেওয়ার চেষ্টা করছে

সরকার ২০০ কোটি ডলার ঋণ নেওয়ার চেষ্টা করছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩০ মার্চ, ২০২৬, ০০:৩৪

দেশের অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে সরকার আন্তর্জাতিক উৎস থেকে ২০০ কোটি (২ বিলিয়ন) ডলার ঋণ নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

আইএমএফ এবং অন্যান্য কয়েকটি উৎস থেকে এই ঋণ নেওয়ার প্রাথমিক আলোচনা চলছে। 

আজ রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান অর্থনীতি বিষয়ক সিনিয়র সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এক প্রশ্নের উত্তরে ওই তথ্য দেন। তবে তিনি বলেন, সতর্কতার সঙ্গে প্রতিনিয়ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। দেশ যাতে এই অবস্থায় ভালো থাকে, সেই চেষ্টা থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক নীতি সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করছে এবং সরকারকে পরামর্শ দিচ্ছে। বিভিন্ন প্রাক্কলনের ভিত্তিতে নানা বিষয় আলোচনা হচ্ছে। সব কিছুই যে সিদ্ধান্ত আকারে আসবে, তাও নয়। 

বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুষ্ঠিত এই সভায় জ্বালানি তেলের বাড়তি দর এবং সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগের বিষয়ে গভর্নর বলেন, এই মুহূর্তে দ্রুত সমাধান নেই। প্রথমত– জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা দরকার। দ্বিতীয়ত– খরচ যতটুকু সম্ভব নিয়ন্ত্রণে রেখে মূল্যস্ফীতি সামাল দেওয়া দরকার। সরকারের চেষ্টা আছে, দ্বিপক্ষীয় কোনো ব্যবস্থার মাধ্যমে কিছু করা যায় কিনা। সরকার নানা উৎস থেকে জ্বালানি নেয়। কোন জায়গা থেকে কি সুবিধা পাওয়া যায় সরকার দেখছে। 

তিনি বলেন, সরকারকে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে জানানো হচ্ছে, জ্বালানি তেলের মূল্য কতটুকু বাড়লে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে কেমন প্রভাব পড়বে। প্রভাব অবশ্যই পড়বে। জ্বালানি আমদানির জন্য যাদের সঙ্গে স্থির মূল্যে চুক্তি আছে, সেখানে হয়তো সমস্যা হবে না। 


প্রসঙ্গত, ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের যে শঙ্কা তৈরি হয়েছে, তা মোকাবিলায় অতিরিক্ত অর্থের যোগান পেতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের আইএমএফ সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে গত সপ্তাহে জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। 

আরও পড়ুন