২২ জুন ২০২৬, সোমবার, ০৪:১৭

শিরোনাম
অতিরিক্ত লাইসেন্সে বিপাকে পেট্রোল পাম্প মালিকরা সরকারি চাকরিতে ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি পদ শূন্য, জানালেন প্রতিমন্ত্রী মালয়েশিয়ার ২ হাজার বন্দিদের ফেরানোর আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়ায় লালগালিচায় বরণ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে মামুনুল প্রসঙ্গের বক্তব্য মুছে দিলেন স্পিকার দেশে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ শনাক্ত ১,০৬৩ জনের মালয়েশিয়ার পথে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী চলতি বছরের শেষে শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন: বিমানমন্ত্রী
শিরোনাম
অতিরিক্ত লাইসেন্সে বিপাকে পেট্রোল পাম্প মালিকরা সরকারি চাকরিতে ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি পদ শূন্য, জানালেন প্রতিমন্ত্রী মালয়েশিয়ার ২ হাজার বন্দিদের ফেরানোর আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়ায় লালগালিচায় বরণ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে মামুনুল প্রসঙ্গের বক্তব্য মুছে দিলেন স্পিকার দেশে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ শনাক্ত ১,০৬৩ জনের মালয়েশিয়ার পথে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী চলতি বছরের শেষে শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন: বিমানমন্ত্রী

মুসলিম বিশ্বের ঐক্যই বড় শক্তি: লারিজানি

মুসলিম বিশ্বের ঐক্যই বড় শক্তি: লারিজানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭ মার্চ, ২০২৬, ০০:২৪

লারিজানি বলেন, “কিছু দেশ তো আরো এক ধাপ এগিয়ে গেছে। তারা ইরানকে নিজেদের প্রতিপক্ষ ঘোষণা করেছে, শুধু এই কারণে যে, ইরান তাদের ভূখণ্ডে অবস্থিত আমেরিকান ঘাঁটি এবং আমেরিকান ও ইসরায়েলি স্বার্থ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।”

আলজাজিরা লিখেছে, যদিও ইরান জোর দিয়ে বলছে, তারা মধ্যপ্রাচ্যে কেবল মার্কিন স্বার্থকেই লক্ষ্যবস্তু করছে, তবু তাদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র উপসাগরীয় অঞ্চলের হোটেল ও জ্বালানি স্থাপনাসহ বেসামরিক স্থাপনাগুলোকেও আঘাত করেছে।

লারিজানি বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি থাকা অবস্থায় ইরানকে হাত গুটিয়ে বসে থাকার আশা করা যায় না।

তিনি বলেন, “আজকের এই মুখোমুখি অবস্থান বাস্তবে একদিকে আমেরিকা ও ইসরায়েল, আর অন্যদিকে মুসলিম ইরান ও প্রতিরোধের শক্তির মধ্যে। তাহলে আপনারা কোন পক্ষের?”

লারিজানি মুসলিম ঐক্যের আহ্বান জানান এবং জোর দিয়ে বলেন, ইরান অঞ্চলটির (মধ্যপ্রাচ্য) ওপর কোনো আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে চায় না।

তিনি বলেন, “আপনারা খুব ভালো করেই জানেন, আমেরিকার কোনো আনুগত্য নেই, আর ইসরায়েল প্রকৃতপক্ষে আপনাদের শত্রু।”

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথভাবে আগ্রসান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। সংক্ষিপ্ত সময়ে এই চাপিয়ে দেওয়া এই যুদ্ধ ট্রাম্প শেষ করার কথা বললেও এখন তার অবস্থান পরিষ্কার নয়। একেক সময় একেক ধরনের কথা বলে যাচ্ছেন। অন্যদিকে ইরান দীর্ঘযুদ্ধেও তাদের লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা বলে যাচ্ছে।

অবশ্য এই যুদ্ধে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশগুলোতে যুুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে যুদ্ধের পরিসর বাড়িয়েছে ইরান। এসব আরব দেশ জাতিসংঘে ইরানের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব তুললে তা পাসও হয়। ফলে আরব দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র অনারব দেশ ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সামগ্রিকভাবে মোকাবিলা করছে। এই লড়াইয়ে তারা মুসলিম দেশগুলোর সমর্থন চায়। ইরানের সামরিক প্রধান লারিজানির মুখে আবার সেই সুর শোনা গেল।

আরও পড়ুন