২১ জুন ২০২৬, রবিবার, ২২:৩৬

শিরোনাম
মালয়েশিয়ায় লালগালিচায় বরণ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে মামুনুল প্রসঙ্গের বক্তব্য মুছে দিলেন স্পিকার দেশে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ শনাক্ত ১,০৬৩ জনের মালয়েশিয়ার পথে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী চলতি বছরের শেষে শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন: বিমানমন্ত্রী প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় বড় পরিবর্তন আনছে সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ, প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বগুড়ার ৩ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
শিরোনাম
মালয়েশিয়ায় লালগালিচায় বরণ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে মামুনুল প্রসঙ্গের বক্তব্য মুছে দিলেন স্পিকার দেশে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ শনাক্ত ১,০৬৩ জনের মালয়েশিয়ার পথে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী চলতি বছরের শেষে শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন: বিমানমন্ত্রী প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় বড় পরিবর্তন আনছে সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ, প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বগুড়ার ৩ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সবচেয়ে খারাপ রিক্রুট ছিলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস : খালেদ মুহিউদ্দীন

সবচেয়ে খারাপ রিক্রুট ছিলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস : খালেদ মুহিউদ্দীন

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০০:১৮

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কাল নিয়ে সমালোচনা করে নিউইয়র্কভিত্তিক বাংলা দৈনিক ‘ঠিকানার প্রধান সম্পাদক  খালেদ মুহিউদ্দীন বলেছেন, ‘সবচেয়ে খারাপ রিক্রুটতো ছিলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।’

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) একটি টকশো অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। খালেদ মুহিউদ্দীনের এ বক্তব্য ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। 

আলোচনায় খালেদ মুহিউদ্দীন বলেন, সরকারের নীতিনির্ধারণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় ধারাবাহিকতার অভাব ছিল। তাঁর ভাষায়, ‘মাথা যদি ঠিক না থাকে, তাহলে নিচের দিকে সব জায়গায় সমস্যা হয়। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাজের মধ্যে আমি প্রচণ্ড ইনকনসিস্টেন্সি দেখছি। একটা কাজের মধ্যে ধারাবাহিকতা পাইনি।’

অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত সরকারের কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কিছু হইলেই বলা হইছে আমলারা কথা শোনেনি। কিন্তু প্রশাসনকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করা সরকারেরই দায়িত্ব।’

তিনি আরো অভিযোগ করেন, কয়েকটি সিদ্ধান্তে ‘কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট’-এর প্রশ্ন উঠেছে। তাঁর দাবি, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতা থাকা উচিত ছিল। এসময় বিদেশ সফর প্রসঙ্গেও সমালোচনা করেন খালেদ মুহিউদ্দীন।

তিনি বলেন, ‘একজন সরকার প্রধানের বিদেশে গিয়ে একটি রাজনৈতিক দলের প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করা কতটা যৌক্তিক—সেই প্রশ্ন আছে।’

আরও পড়ুন