কঙ্গোতে ইবোলা ভাইরাসে ৩০ জনের মৃত্যু
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ২০ জুন, ২০২৬, ০১:২৩
কঙ্গোতে ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩০ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশটির একটি বাস্তুচ্যুত বেসামরিক ক্যাম্পে গত মে মাস থেকে এ পর্যন্ত এসব মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় ভাইরাসটির ব্যাপক প্রাদুর্ভাবের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
শুক্রবার (১৯ জুন) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ক্যাম্প কর্মকর্তাদের মতে, এত উচ্চ মৃত্যুর হার নজিরবিহীন ঘটনা। মৃত ব্যক্তিদের শারীরিক উপসর্গ দেখে ধারণা করা হচ্ছে, তারাও ইবোলা ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছিলেন।
কঙ্গোতে ইবোলার প্রাদুর্ভাবের কেন্দ্রস্থল বুনিয়ার ‘কিগোঞ্জে’ ক্যাম্পে মৃত্যুর সঠিক জানা যায়নি। ক্যাম্পের মুখপাত্র এবং সহায়তা সংস্থা ‘ক্যারিতাস’ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (১৮জুন) পর্যন্ত মৃত ব্যক্তি বা রোগীদের স্বজনরা স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
ক্যাম্পের মুখপাত্র, এক মৃতের বাবা এবং তিনটি ত্রাণ সংস্থার সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, মারা যাওয়া সবার মাথা ব্যথা, জ্বর ও বমির উপসর্গ ছিল। এসব লক্ষণ ইবোলার সংক্রমণের সঙ্গে অনেকটাই মিল রয়েছে।
ক্যাম্পের মুখপাত্র ডিজায়ার গ্রোডিয়া বাপি বলেন, আগে হঠাৎ করে এভাবে এতো মানুষ মারা যেতে দেখা যায়নি।
ক্যাম্পে ১৫ হাজারের বেশি বাসিন্দা রয়েছেন। মৃতের সংখ্যা বাড়তে থাকায় নতুন করে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে ৫০ লাখের বেশি বাস্তুচ্যুত মানুষের মধ্যে এ ভাইরাস ইতোমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্যানিটেশন ব্যবস্থার চরম সংকট এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অনীহা এই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
ক্যাম্পের প্রেসিডেন্ট ডিজি জো এনদ্রুতসি ইতিয়েন বলেন, কেবল চলতি সপ্তাহেই ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ক্যাম্পের মুখপাত্র বলেন, সাধারণত এই ক্যাম্পে মাসে বড়জোর ১ থেকে ৩ জন মারা যেতেন।
ক্যাথলিক সাহায্য সংস্থা ক্যারিতাসের পরিচালক জাস্টিন জানামুজি জানান, আমাদের স্বেচ্ছাসেবকরা স্বজনদের মৃতদেহ পরীক্ষার জন্য বুঝিয়েছেন। কিন্তু তারা কোনোভাবে রাজি হয়নি।
গ্রোডিয়া বলেন, বর্তমানে ৫ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তাদের ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে।
চারজন ত্রাণকর্মী বলেছেন, ইবোলার মতো ভাইরাসের ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা ও স্যানিটেশন অত্যন্ত জরুরি। কারণ এই রোগ নালজাতীয় পদার্থ বা বর্জ্যের মাধ্যমে ছড়ায়। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে যুক্তরাষ্ট্র এই খাতে অর্থায়ন কমিয়ে দেওয়ায় বাস্তুচ্যুত মানুষগুলো এখন চরম ঝুঁকির মুখে রয়েছেন।
জাতিসংঘের তথ্য বলছে, কঙ্গোতে স্যানিটেশন ব্যবস্থার জন্য বরাদ্দ ২০২৪ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি কমানো হয়েচে। দেশটিতে মাত্র ৩৮ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ বছরের জন্য ৮ কোটি ডলারের আবেদন জানানো হলেও এখন পর্যন্ত তার মাত্র ২১ শতাংশ অর্থায়ন করা হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
প্রতিফলন/টিএস
আরও পড়ুন
- • ঈদের আমেজে জবিতে শিক্ষক সমাজের মিলনমেলা
- • অতিরিক্ত লাইসেন্সে বিপাকে পেট্রোল পাম্প মালিকরা
- • কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৫ বাংলাদেশির
- • সৌদির বিপক্ষে স্পেনের ৪ গোল, সিজদায় লামিন
- • সরকারি চাকরিতে ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি পদ শূন্য, জানালেন প্রতিমন্ত্রী
- • মালয়েশিয়ার ২ হাজার বন্দিদের ফেরানোর আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
- • পেলের ৬৮ বছরের পুরনো রেকর্ডে ভাগ বসালো লামিন ইয়ামাল
- • না ফেরার দেশে সাবেক এমপি মেরী
- • প্রতিশোধের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
- • প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষ্যে বন্ধ থাকবে মৌলভীবাজারের ৯২ চা বাগান
- • সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ঢাকার তিন বাস টার্মিনাল সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- • চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ে সর্বোচ্চ রেকর্ড
- • যানজট নিরসনে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়নে সভা করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- • বেনজীর আহমেদকে ফেরত নিতে ৩০ দিনের সময় দিল সংযুক্ত আরব আমিরাত
- • দুবাইয়ে গ্রেফতার বেনজীর, সামনে দীর্ঘ প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া
- • বেনজীরকে দেশে ফেরাতে সক্রিয় দুদক, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যাচ্ছে নথি
- • সংসদে ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’র ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী
- • ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে দুই হেলিকপ্টারের সংঘর্ষে ছয়জন নিহত
